বুধবার | ১৪ জানুয়ারি | ২০২৬
spot_img

কাঁটা দিয়ে কাঁটা তোলার ছক কষেছেন এরদোগান

ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্যপদ অর্জনে কাঁটা দিয়ে কাঁটা তোলার ছক কষেছেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রজব তাইয়েব এরদোগান।

সোমবার (১০ জুলাই) লিথুনিয়ায় ন্যাটো শীর্ষ সম্মেলনের উদ্দেশ্যে দেশ ছাড়ার আগে সংবাদমাধ্যমকে তুরস্কের পরিকল্পনার কথা জানান তিনি।

এরদোগান বলেন, ৫০ বছরেরও বেশি সময় ধরে যারা ইউরোপীয় ইউনিয়নের দারে তুরস্ককে অপেক্ষা করিয়ে রেখেছে, ন্যাটোতে থাকা সেসব ইইউ নেতার প্রতি আমাদের আহবান থাকবে, আগে তুরস্কের জন্য ইইউর পথ উন্মুক্ত করুন তাহলে আমরাও ন্যাটোতে সুইডেনের পথ উন্মুক্ত করে দিবো, যেমনি ভাবে ফিনল্যান্ডকে করে দিয়েছি।

এছাড়া গতবারের সম্মেলনে সাক্ষরিত ত্রিপক্ষীয় চুক্তির কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে এরদোগান বলেন, সুইডেনের ন্যাটো সদস্যপদ অর্জন নির্ভর করছে মাদ্রিদে সাক্ষরিত ত্রিপক্ষীয় চুক্তির বিষয়গুলো পূরণ করার উপর। এক্ষেত্রে তারা আমাদের হতাশ করেছে। তারা তাদের অঙ্গীকার রক্ষায় ব্যর্থ হয়েছে। পিকেকে সন্ত্রাসী ও তার সমর্থকরা এখনো স্টকহোমের রাস্তায় ঘুরে বেড়াচ্ছে।

এর আগে গত বুধবার (১৪ জুলাই) এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেছিলেন, সন্ত্রাসবাদ ইস্যুতে তুরস্কের উদ্বেগের সঠিক সমাধানের আগ পর্যন্ত আমরা সুইডেনের সদস্যপদ অনুমোদনে সম্মত হতে পারি না। এজন্য নর্ডিক দেশটিকে ন্যাটোর আসন্ন শীর্ষ সম্মেলনে অনুমোদন পাওয়ার আশা না করারও পরামর্শ দিয়েছিলেন তিনি।

তুরস্ক বিগত ৭০ যাবত ন্যাটোর সাথে সম্পৃক্ত। ২য় সর্বোচ্চ সেনাবাহিনী গঠন ও সামরিক তৎপরতার মাধ্যমে ধীরে ধীরে বৃহৎ এই সম্মিলিত সামরিক জোটের গুরুত্বপূর্ণ সদস্য হয়ে উঠেছে তারা।

ইউরোপ ও উত্তর আমেরিকার বিভিন্ন দেশের সমন্বয়ে গঠিত বৃহৎ সামরিক জোট ন্যাটোর গুরুত্বপূর্ণ সদস্য হয়ে উঠলেও নানা কারণে আটকে আছে তাদের ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্যপদ।

ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্যপদ অর্জনের অংশ হিসেবে তুরস্ক সর্বপ্রথম ১৯৮৭ সালে ইউরোপীয় অর্থনৈতিক কমিউনিটির সদস্য হওয়ার আবেদন করে।

১৯৯৯ সালে ইইউর সদস্যতা লাভের উপযুক্ত হয়ে উঠে দেশটি। পরবর্তীতে ২০০৫ সালে সদস্যপদ অর্জনে ব্লকের সাথে আনুষ্ঠানিকভাবে আলোচনা শুরু হয়। কিন্তু ২০১৬ সালে এসে আলোচনা থমকে যায়।

সূত্র: টিআরটি ওয়ার্ল্ড

spot_img
spot_img
spot_img
spot_img

সর্বশেষ