তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, ১৪ বছর যে উন্নয়ন হয়েছে, নেতা-কর্মীদের সেটি প্রচার করতে হবে। ১৪ বছর আগের চিত্র আর এখনকার চিত্র মানুষকে দেখান। যদি মানুষকে উন্নয়নের চিত্র আমরা সঠিকভাবে উপস্থাপন করতে পারি, তবে আওয়ামী লীগ ছাড়া অন্য কোনো জায়গায় তাদের ভোট দেওয়ার সুযোগ নেই।
শনিবার (১১ ফেব্রুয়ারি) চট্টগ্রামের হাটহাজারী ফতেপুর উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে বিএনপি-জামাতের সন্ত্রাস ও নৈরাজ্যের প্রতিবাদে আয়োজিত শান্তি সমাবেশে এ কথা বলেন তিনি।
তথ্যমন্ত্রী বলেন, বিএনপির কাজ হচ্ছে দিনের বেলায় পদযাত্রা ও রাতের বেলায় অ্যাম্বাসিতে যাওয়া। রাতের বেলায় বিভিন্ন অ্যাম্বাসিতে গিয়ে কূটনীতিকদের হাতে-পায়ে ধরে পদলেহন করা হচ্ছে তাদের কাজ। এদেশে কোনো কূটনীতিক কাউকে ক্ষমতায় বসাতে পারেননি, পারবেনও না।
তথ্যমন্ত্রী আরও বলেন, এই দেশের ক্ষমতার মালিক জনগণ। আমরা জনগণের ক্ষমতায় বিশ্বাস করি। আওয়ামী লীগ সবসময় জনগণের সমর্থন নিয়ে সরকার গঠন করেছে। আগামী নির্বাচনেও জনগণের রায় নিয়ে বিপুল ভোটে বিজয়ী হয়ে আবার সরকার গঠন করবে।
তিনি বলেন, বিএনপি বুঝতে পেরেছে আগামী নির্বাচনেও তাদের ক্ষমতায় আসার কোনো সম্ভাবনা নেই। তাই তাদের নির্বাচন ভীতি পেয়ে বসেছে। একটু বিশ্লেষণ করলেই, বুঝা যায় বিএনপির সম্ভাবনা কতটুকু। ২০০৮ সালের একটি ভালো নির্বাচনে বিএনপির আসন মাত্র ২৯টি, আর উপনির্বাচনে দুটি বেড়ে ৩১টি হয়েছে। ২০১৪ সালে তারা পরাজয় জেনে নির্বাচন থেকে পালিয়ে গেছে। ২০১৮ সালে ডান-বাম, অতিডান-অতিবাম আর তালেবান সবাইকে নিয়ে ঐক্য করে বিএনপি আসন পেয়েছে সাতটি।
তিনি আরও বলেন, এখন সবাইকে নিয়ে ঐক্য করে মাঝে মধ্যে বলে ৩২ দল, কখনো ১২ দল, আবার কখনো বলে ২২ দল। আবার বলে ৫৪ দল। আসলে কত দলের যে বিএনপির জোট সেটা বলা মুশকিল। ২২ দল ও ১২ দল মিলে ঢাকা শহরে এক জায়গায় সমাবেশ করলে সেখানে মানুষ পাওয়া যায় ৫০ জন। আর সাংবাদিক থাকে ১০০ জন। এই হচ্ছে তাদের সমাবেশ।










