ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর সিনিয়র নায়েবে আমীর মুফতী ফয়জুল করীম বলেছেন, মুসলিম জাতিসত্ত্বার তাহজীব-তামাদ্দুন
ধ্বংস করে শিক্ষা সিলেবাসে বিজাতীয় সঙ্কৃতির অনুপ্রবেশ ঘটিয়েছে কারা, জাতির সামনে তাদের পরিচিতি তুলে ধরতে হবে। কারা হিন্দুত্ববাদী শিক্ষা মুসলমানের বাচ্চাদের মননে মগজে ডুকিয়েছে, তাদের বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড় করাতে হবে। বিরানব্বই ভাগ মুসলমানের জাতীয়তা ধ্বংস করে পাঠ্যপুস্তকে বিজাতীয় কৃষ্টি-কালচারের আগ্রাসন সময় থাকতে রুখে দাড়াতে হবে। ঈমান আক্বীদা ও ইসলামী মূল্যবোধ পরিপন্থী বিষয়গুলো পাঠ্যপুস্তকে যুক্ত হওয়াটা বাংলাদেশের বিরুদ্ধে গভীর ষড়যন্ত্র এবং পূর্ব পরিকল্পিত।
আজ রবিবার (১২ মার্চ) বরিশালের চরমোনাইয়ে বিভিন্ন পর্যায়ের লোকজনের সাথে আলোচনা করার সময় তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, সুইডেন ও ডেনমার্কে কুরআন পোড়ানোর ঘটনা এবং বাংলাদেশের শিক্ষা সিলেবাস থেকে কুরআনী শিক্ষা তুলে দেওয়া একই সূত্রে গাঁথা। এজন্য ইসলামের এ সকল দুশমনদের বিচার করতে হবে। শিক্ষা কারিকুলামে বিজাতীয় আগ্রাসন বন্ধ, অনৈসলামিক ও বিতর্কিত নাস্তিক্যবাদ বই বাতিল করে নতুন করে ঢেলে সাজাতে হবে। শিক্ষার সকল স্তরে ইসলামী শিক্ষা ও নৈতিক শিক্ষাকে বাধ্যতামূলক করতে হবে।
তিনি আরও বলেন, ৬৮ হাজার গ্রামে ৬৮ হাজার কুরআনী মাদরাসা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে কুরআন শিক্ষা বোর্ড কাজ করছে। কুরআন শিক্ষার এ আন্দোলনে সকলকে শরিক হওয়ার আহ্বান জানান মুফতী ফয়জুল করীম।










