বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল আলমগীর বলেছেন, আমাদের দেশের নেতা বাইরে গিয়ে কথা বললে দুঃখের কিছু নেই। কিন্তু তার দেশে তিনি কী করছেন, তার দেশের মানুষ কেমন আছেন?—এটা ভাবার বিষয়। আজকে কষ্টের বিষয় যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন গণতন্ত্র সভা ডেকেছেন ১০০ দেশকে নিয়ে। সেখানে বাংলাদেশের নাম নেই।
শুক্রবার (১২ নভেম্বর) জাতীয় প্রেস ক্লাবের তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলে দেশের স্বাধীনতা সুরক্ষা ও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় জিয়াউর রহমানের অবদানের বিষয়য়ক জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি-জাগপা আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
মির্জা ফখরুল বলেন, এরা ইতিহাস বিকৃত করছে সমানে। এই ১৫ আগস্ট কে ঘটিয়ছে? খন্দকার মোস্তাকের নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ ঘটিয়েছে। আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা সেদিন মন্ত্রী সভায় শপথ নিয়েছেন। এটাই ইতিহাস। আর দোষারোপ করেন মেজর জিয়াকে।
তিনি বলেন, হাজার চেষ্টা করেও জিয়াউর রহমানের নাম এ দেশের মানুষের হৃদয় থেকে মুছে ফেলা যাবে না। জিয়াউর রহমান এ এদেশের মানুষকে নতুন স্বপ্ন দেখিয়েছেন। একদলীয় শাসন ব্যবস্থাকে বহুদলীয় শাসন ব্যবস্থায় নিয়ে এসেছেন।
বিএনপি মহাসচিব বলেন, আপনাদের (আওয়ামী লীগ) দ্বায়িত্ব ছিল গণতন্ত্রকে প্রতিষ্ঠা করা। অথচ আপনারা বহুদলীয় শাসন ব্যবস্থাকে বাতিল করে একদলীয় শাসন ব্যবস্থায় নিয়ে এসেছিলেন আগে। আর এবার কী করলেন? যে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে চারটা নির্বাচন হয়ে গেলো সুষ্ঠুভাবে, সেই ব্যবস্থাকে বাতিল করলেন।
তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ রাষ্ট্রের প্রতিটি প্রতিষ্ঠানকে দলীয়করণ করে ফেলেছে। গতকাল রেইনট্রির ধর্ষণ মামলার রায়ে অপরাধীদের খালাস দেওয়া হয়েছে। কারণ অপরাধীরা ক্ষমতাধর। নারী জাতিকে অপমান করে এদের খালাস দেওয়া হয়েছে। এ ধরনের রায় আমরা মেনে নিতে পারি না। আমি এর তীব্র নিন্দা জানাই।










