বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, দেশের স্বাধীনতাপ্রিয় ও গণতন্ত্রপ্রিয় জনগণ আবারও বিএনপিকে বিজয়ী করেছে। তিনি এই ফলাফলকে কোনো দল বা ব্যক্তির নয়, জনগণের বিজয় হিসেবে আখ্যায়িত করেন। তিনি বলেন, দেড় দশকেরও বেশি সময়ের স্বৈরাচারী শাসন ও ফ্যাসিবাদের অবসান ঘটিয়ে জনগণ গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার পথ সুগম করেছে।
শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে রাজধানীর ইন্টারকন্টিনেন্টাল হোটেলে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।
বক্তব্যের শুরুতে তারেক রহমান বলেন, “দেশের স্বাধীনতা প্রিয়, গণতন্ত্র প্রিয় জনগণ আবারও বিএনপিকে বিজয়ী করেছে, আলহামদুলিল্লাহ।”
তিনি বলেন, দেড় দশকেরও বেশি সময় পর দেশে পুনরায় জনগণের সরাসরি ভোটে জনগণের কাছে জবাবদিহিমূলক সংসদ ও সরকার প্রতিষ্ঠিত হতে যাচ্ছে; একইসাথে তিনি ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ থেকে ২০২৪ সালের আন্দোলন পর্যন্ত আত্মত্যাগের কথা স্মরণ করেন।
তিনি এই বিজয়কে কোনো দলের বা ব্যক্তির নয়, বরং জনগণের বিজয় হিসেবে আখ্যায়িত করেন। তাঁর ভাষায়, “এ বিজয় বাংলাদেশের। এ বিজয় গণতন্ত্রের। এই বিজয় গণতন্ত্রকামী জনগণের। আজ থেকে আমরা সবাই স্বাধীন।”
তিনি উল্লেখ করেন যে, জনগণ সকল বাধা ও প্রতিবন্ধকতা মোকাবেলা করে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার পথ সুগম করেছে। দীর্ঘ দেড় দশকেরও বেশি সময়ের স্বৈরাচারী শাসন ও ফ্যাসিবাদের অবসান ঘটিয়ে এই বিজয় অর্জিত হয়েছে। তিনি বলেন, “ফ্যাসিবাদের রেখে যাওয়া ভঙ্গুর অর্থনীতি, অকার্যকর করে দেওয়া সাংবিধানিক ও বিধিবদ্ধ প্রতিষ্ঠান এবং দুর্বল আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, এমন একটি পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে আমরা যাত্রা শুরু করতে যাচ্ছি। আপনাদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে দেড় দশকেরও বেশি সময় পর দেশে পুনরায় জনগণের সরাসরি ভোটে… জনগণের কাছে জবাবদিহিমূলক সংসদ এবং সরকার প্রতিষ্ঠিত হতে যাচ্ছে।”
তিনি বলেন, “৭১-এর স্বাধীনতা অর্জনের যুদ্ধ থেকে ২০২৪ সালে দেশ এবং জনগণের স্বাধীনতা রক্ষার যুদ্ধ, এই দীর্ঘ সময় দেশ ও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে যারা শহীদ হয়েছেন, হতাহত হয়েছেন, যাদের রক্ত মাড়িয়ে, কষ্টের সিঁড়ি বেয়ে আজকের এই গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ, সেই সকল বীর শহীদদের প্রতি জানাই গভীর শ্রদ্ধা। মহান আল্লাহর দরবারে তাদের মাগফেরাত কামনা করছি।”
তিনি আরও বলেন, যারা মানুষের ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে প্রাণ দিয়েছেন এবং আহত হয়েছেন, দেশের জনগণ তাদের ভূমিকাকে গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে আজীবন স্মরণ করবে।











