বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, বিদ্যুৎ খাতকে জনগণের টাকা লুটের খাত। এ খাতে দুর্নীতি করার কারণে দফায় দফায় বিদ্যুতের দাম বাড়ানো হচ্ছে। ভারতের আদানির সঙ্গে বিদ্যুৎ আমদানির চুক্তি মূলত জনগণের গালে চপেটাঘাত।
মঙ্গলবার (১৪ মার্চ) বিএনপির চেয়ারপারসনের গুলশান কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি।
বিদ্যুৎ খাতের অনিয়মকে জাতীয় সমস্যা উল্লেখ করে মির্জা ফখরুল বলেন, দুর্নীতির প্রকল্প হিসেবে বিদ্যুৎ খাতকে বেছে নিয়েছে সরকার। এ ছাড়া যমুনা নদী সংকুচিত করতে ১২ হাজার কোটি টাকার প্রকল্প নেয়া হয়েছে। সরকারের এ প্রকল্প মূলত নদী ধ্বংস করে নিজের পকেট ভারী করার ষড়যন্ত্র। সরকারের এসব দুর্নীতি জনসম্মুখে উন্মোচনের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, দেশবাসীকে জানাতে চাই বিএনপি সরকার গঠন করলে দেশের স্বার্থ বিনষ্টকারী এ ধরনের সকল চুক্তি এবং বিদ্যুৎ ও জ্বালানি দ্রুত বৃদ্ধি (বিশেষ বিধান) আইনসহ সকল কালো আইন বাতিল করা হবে। বিদ্যুৎ উৎপাদনে নবায়নযোগ্য, বিকল্প ও মিশ্র-জ্বালানির সংস্থান করা হবে এবং স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনার মাধ্যমে দেশের বিদ্যুৎ খাতকে পুনর্গঠন ও টেকসই করে গড়ে তোলা হবে।
তিনি আরও বলেন, গণতন্ত্রকে মুক্ত করতে হবে। দুর্নীতিতে আকণ্ঠ নিমজ্জিত বর্তমান অবৈধ ফ্যাসিস্ট সরকারকে দুর্বার গণআন্দোলনের মাধ্যমে ক্ষমতাচ্যুত করে একটি নির্বাচনকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের পরিচালনায় অবাধ ও গ্রহণযোগ্য সাধারণ নির্বাচনের মাধ্যমে প্রকৃত অর্থে জনগণের একটি সরকার প্রতিষ্ঠা করতে হবে। সে জন্য দলমত জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে প্রত্যেককে চলমান গণআন্দোলনে ঝাঁপিয়ে পড়ার উদাত্ত আহবান জানাচ্ছি।
এদিকে ১১ মার্চের মানববন্ধন কর্মসূচিতে ‘আওয়ামী সন্ত্রাসীরা’ হামলা উল্লেখ করে এ হামলার নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান মির্জা ফখরুল।
আগামী ২৩ মার্চ রমজান শুরু হতে পারে। এ মাসে বেশ কয়েকটি ইফতার মাহফিলের আয়োজনের কথা জানিয়ে ফখরুল বলেন, ২৬ মার্চ স্বাধীনতা দিবস পালনেরও সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।










