ইসলামী আন্দোলনের কেন্দ্রীয় প্রচার ও দাওয়াহ সম্পাদক মাওলানা আহমদ আবদুল কাইয়ূম বলেছেন, বিরানব্বই ভাগ মুসলমানের চিন্তা চেতনাকে জলাঞ্জলি দিয়ে সরকার দেশে হিন্দুত্ববাদী শিক্ষা সিলেবাস প্রণয়ন করে ধর্মীয় সেন্টিমেন্টকে আঘাত করছে। দেশে হিন্দুত্ববাদী শিক্ষা চলতে দেওয়া হবে না। চলমান ২০২৩ সালের সকল বই বাতিল করে শিক্ষার সকলস্তরে ইসলামী শিক্ষাকে
বাধ্যতামূলক করতে হবে। অন্যথায় ইসলামী জনতার রুদ্ররোষ সৃষ্টি হলে সরকারের আখের রক্ষা হবে না।
মঙ্গলবার (১৪ মার্চ) সকাল ১০টায় মুরাদনগর সদরস্থ ইস্টার্ণ প্লাজায় ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মুরাদনগর উপজেলা শাখা আয়োজিত দ্বি-বার্ষিক থানা সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
মাওলানা আহমদ আবদুল কাইয়ূম বলেন, সরকারের বিগত বছরের সীমাহীন লুটপাট, দুর্নীতি, অর্থপাচারের কারণে দেশ আজ এক ভয়াবহ অর্থনৈতিক বিপর্যয়ের সম্মুখীন। সরকারি হিসাবেই বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ইতোমধ্যে ৪০ বিলিয়ন ডলারের নিচে। ফলে অতি প্রয়োজনীয় পণ্য আমদানির জন্যও ঋণপত্র খুলতে পারছে না সরকার। জ্বালানির সঙ্কট মূলত সেখান থেকেই। এ কারণে বিদ্যুৎ উৎপাদনে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে।
মাওলানা আহমদ আবদুল কাইয়ূম আরও বলেন, লোডশেডিংকে জাদুঘরে পাঠানোর ঘোষণা দিয়েছিল এ সরকার। আর এখন বিদ্যুৎ ব্যয়ে মিতব্যয়ী হওয়ার আহ্বান সরকার প্রধানের। শতভাগ বিদ্যুতায়নের ভেল্কিবাজি দেখিয়ে সরকার এখন সারাদেশে দিনে ১২ ঘণ্টাও বিদ্যুৎ সরবরাহ করতে পারছে না। সরকারি সংস্থা বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) এখন দেশের জ্বালানি নিয়ে শঙ্কিত। এমতাবস্থায় দেশের সর্বক্ষেত্রে আল্লাহভীরু নেতা নির্বাচিত করতে হবে। কেননা ইসলাম ছাড়া মানবতার মুক্তি সম্ভব নয়।
সম্মেলন শেষে এমএম মফিজুল ইসলামকে সভাপতি এবং মুহাম্মাদ হোসেন মোল্লাকে সেক্রেটারী করে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মুরাদনগর উপজেলা এবং মাওলানা শোয়াইব আহমকে সভাপতি এবং সাইফুল ইসলামকে সাধারণ সম্পাদক করে ইসলামী যুব আন্দোলন মুরাদনগর উপজেলার জন্য ২০২৩-২৪ সেশনের কমিটি ঘোষণা করেন প্রধান অতিথি।










