ভারতের কর্ণাটক হাইকোর্টে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে হিজাব নিষিদ্ধের প্রতিক্রিয়ায় জমিয়তে উলেমায়ে হিন্দের সভাপতি মাওলানা আরশাদ মাদানী বলেছেন, আদালতের রায় ইসলামী শিক্ষা ও শরীয়া বিরোধী।
তিনি বলেন, ইসলামে ফরজ ইবাদত না করা গুনাহের কাজ। হিজাব বা পর্দা করা ফরজ। যদি কোন মুসলমান পর্দা না করে তবে সে ইসলাম থেকে খারিজ হয়ে যাবে না। তবে তার গুনাহ হবে এবং তাকে আল্লাহর শাস্তির সম্মুখীন হতে হবে। এ কারণে পর্দাকে ইসলামের অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ না বলা ভুল।
তিনি বলেন, ইউনিফর্ম নির্ধারণ করে দেওয়ার নিয়ম স্কুল পর্যন্ত সীমাবদ্ধ। কিন্তু হাইকোর্ট যে প্রতিষ্ঠানের বিষয়ে রায় দিয়েছে, সেটা স্কুল নয়, কলেজ। নিয়ম অনুযায়ী কলেজের নিজস্ব ইউনিফর্ম নির্ধারণ করে দেওয়ার অধিকার নেই।
মাওলানা মাদানী বলেন, ভারতের সংবিধানের ২৫ অনুচ্ছেদ প্রতিটি নাগরিককে নিজের ধর্মীয় রীতিনীতি মেনে চলার অধিকার দিয়েছে।
উল্লেখ্য; শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে হিজাব নিষিদ্ধের পক্ষে রায় দিয়েছে ভারতের কর্ণাটক রাজ্যের হাইকোর্ট। মঙ্গলবার (১৫ মার্চ) কর্ণাটক হাইকোর্ট এই রায় দেয়।
এদিন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে হিজাব পরার ওপর হিন্দুত্ববাদী বিজেপি সরকারের নিষেধাজ্ঞাকে সমর্থন করে কর্ণাটক হাইকোর্ট বলেছে, আমাদের মতে, ইসলাম ধর্মে মুসলিম নারীদের হিজাব পরা বাধ্যতামূলক নয়। স্কুল ইউনিফর্মের বাধ্যবাধকতা যৌক্তিক এবং শিক্ষার্থীরা এ নিয়ে আপত্তি জানাতে পারে না। এ ধরনের আদেশ জারি করার ক্ষমতা রাজ্য সরকারের রয়েছে।
এদিকে এই রায়ের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কর্ণাটকের মুসলিম শিক্ষার্থীরা।
সূত্র : এপিপি










