জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ-এর সিনিয়র সহ-সভাপতি মাওলানা উবায়দুল্লাহ ফারুক কাসেমী বলেছেন, নব্য পলাতক স্বৈরাচার হাসিনা ও তার বোন রেহানা ভারতে বসে আবারও বাংলাদেশে ভারতীয় আধিপত্য বিস্তার করে প্রতিবিপ্লবের দুঃস্বপ্ন দেখছে। দেশ এখন ভারতীয় ও কট্টর হিন্দুত্ববাদের আগ্রাসন থেকে মুক্ত হয়েছে। দেশের ছাত্র-জনতার সফল আন্দোলন পনেরো বছরের স্বৈরশাসনের পতন নিশ্চিত করেছে, এটি বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রথম এবং বিশ্বের ইতিহাসে প্রথম যে, পুরো পার্লামেন্ট সদস্যরা পালিয়ে বেড়াচ্ছে।
শনিবার (১৭ আগস্ট) সিলেটের কানাইঘাট পূর্ব বাজারে জমিয়তের উদ্যোগে আয়োজিত বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে আহত ও শহীদদের স্মরণে দু‘আ ও শান্তি সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
মাওলানা উবায়দুল্লাহ ফারুক বলেন, স্বৈরশাসকের দোসররা দেশের প্রতিটি সেক্টরে ঘাপটি মেরে বসে আছে। এদেরকে চিহ্নিত করে পুরো ডিপার্টমেন্ট যতক্ষণ না সংস্কার হবে, ততক্ষণ পর্যন্ত নির্বাচন দেওয়া যাবে না। স্বৈরশাসকের দোসররা আবারও দিনের ভোট রাতে কাস্টিং করার ষড়যন্ত্র করবে।
মাওলানা উবায়দুল্লাহ ফারুক আরও বলেন, স্বৈরশাসক গত পনেরো বছর নাগরিক সুবিধা দিতে ব্যার্থ হয়েছে। দেশের গ্যাস, ইলিশ, স্থলবন্দর ও আকাশপথ সবকিছু ভারতকে দিয়েছে৷ উল্টো বিদ্যুৎ, পাথর চড়াও দামে দেশে আমদানি করছে। বাংলাদেশের ইতিহাসে রেকর্ডসংখ্যক দুর্নীতি হয়েছে।
জমিয়তের কানাইঘাট শাখা সংগঠনের সভাপতি হোসাইন আহমদের সভাপতিত্বে সমাবেশে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় জমিয়তের প্রচার সম্পাদক জয়নাল আবেদীন, সিলেট জেলা উত্তর জমিয়তের সেক্রেটারি মুফতী ইবাদুর রহমান, কানাইঘাট উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান আলতাফ হোসেন, সিলেট জেলা দক্ষিণের সহ-সভাপতি ফারুক আহমদ, পৌর জমিয়তের সভাপতি এবাদুর রহমান প্রমুখ।
সমাবেশে আওয়ামী লীগের শাসনামলে পিলখানা হত্যা, শাপলা গণহত্যা, মোদীবিরোধী আন্দোলনে ১৭ জন মাদ্রাসা ছাত্র হত্যা ও জুলাইয়ের ছাত্র হত্যার দ্রুত বিচার নিশ্চিত করার দাবী জানানো হয়।










