spot_img
spot_img

রাজধানীতে মাদকবিরোধী অভিযানে গ্রেপ্তার ২২

রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় দুই দিনের মাদকবিরোধী অভিযানে হেরোইন, ইয়াবা ও গাঁজাসহ ২২ জনকে গ্রেপ্তার করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের ঢাকা মেট্রো (দক্ষিণ) কার্যালয়। অভিযানে ৪০০ গ্রাম হেরোইন, ১ হাজার ৫২০ পিস ইয়াবা ও ৩৬০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়েছে।

রোববার (১৮ অক্টোবর) মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (ডিএনসি) জানায়, শনিবার (১৭ অক্টোবর) ও রোববার (১৮ অক্টোবর) রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় এসব অভিযান চালানো হয়। এ ঘটনায় চারটি নিয়মিত মামলা করা হয়েছে। পাশাপাশি ভ্রাম্যমাণ আদালতে ১৬টি মামলা দিয়ে কয়েকজনকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা ও অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

ডিএনসির ঢাকা মেট্রো (দক্ষিণ) কার্যালয়ের উপপরিচালক মো. আনোয়ার হোসেনের তত্ত্বাবধানে সবুজবাগ, ডেমরা, মতিঝিল ও কোতোয়ালি সার্কেলের চারটি দল এসব অভিযান চালায়।

রোববার সবুজবাগ থানার অতীশ দীপঙ্কর সড়কে বৌদ্ধমন্দিরের পশ্চিম পাশে চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে নারায়ণগঞ্জগামী একটি বাসে তল্লাশি চালানো হয়। এ সময় মো. জেনারুল ইসলাম (৩৫) ও মো. মনিরুল ইসলাম (৫৫) নামের দুই যাত্রীর কাছ থেকে আটটি প্যাকেটে রাখা ৪০০ গ্রাম হেরোইন উদ্ধার করা হয়। তাদের কাছ থেকে দুটি মোবাইল ফোনও জব্দ করা হয়েছে।

ডিএনসি জানায়, গ্রেপ্তার দুজন সহযোগীদের নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে দেশের বিভিন্ন এলাকায় হেরোইন বিক্রি করতেন। তাদের সঙ্গে জড়িত অন্যদের শনাক্ত করতে গোয়েন্দা অনুসন্ধান চলছে।

এর আগে শনিবার যাত্রাবাড়ীর কোনাপাড়া কাঠেরপুল এলাকার খলিল মাস্টার মসজিদ সড়কে অভিযান চালিয়ে শামীম খান ও শাহবুদ্দিন নামের দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের কাছ থেকে ১ হাজার ৫০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছে।

একই দিনে পল্টন, কোতোয়ালি ও বংশাল এলাকায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে গাঁজাসহ আটজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা ও অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে অধিদপ্তর।

এ ছাড়া মতিঝিল থানার ফকিরাপুল ও গেন্ডারিয়া থানার দয়াগঞ্জ মোড়ে পৃথক অভিযান চালিয়ে নাইম (৩২) ও আলী হোসেন (৪৮) নামের দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের কাছ থেকে ২০ পিস ইয়াবা ও ২০০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট থানায় দুটি নিয়মিত মামলা করা হয়েছে।

উপপরিচালক আনোয়ার হোসেন জানান, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে কিছু তথ্য পাওয়া গেছে। সেগুলো যাচাই করে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। মাদকের সরবরাহ ও বিক্রির সঙ্গে জড়িত অন্যদের শনাক্ত করতেও কাজ চলছে।

spot_img
spot_img
spot_img

সর্বশেষ