গত কয়েক মাস ধরে এক এক করে আফগানিস্তানের নগর, জনপদ, গ্রাম নিয়ন্ত্রণে নিয়েছে তালেবান। অবশেষে গত রবিবার আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুল জয় করে তারা। তালেবানদের জয়ে দেশ ছেড়ে পালিয়ে যান মার্কিন মদদপুষ্ট সাবেক আফগান সরকারের প্রেসিডেন্ট আশরাফ গনি। এরপরে প্রেসিডেন্টের প্রাসাদও নিয়ন্ত্রণে নেয় নেয় তালেবান। সেই সঙ্গে গনি সরকারের সকল সম্পত্তি এবং সেনাবাহিনীর অস্ত্র নিয়ন্ত্রণে নেয় তারা।
২০০১ সালে আফগানিস্তানে হামলার সময় মার্কিন মদদপুষ্ট সেদেশের সেনাদের হাত মজবুত করতে একের পর এক অস্ত্র, রণসজ্জার জোগান দিয়েছে আমেরিকা। সেসময় আধুনিক ড্রোন থেকে হেলিকপ্টার বা রকেট লঞ্চার- সবই তুলে দিয়েছে আফগান সেনাদের হাতে। যাদের ধ্বংস করতে এসব অস্ত্র দেওয়া হয়েছিল, আজ সেই তালেবানদের হাতেই সেসব অস্ত্র।
আমেরিকাসহ ন্যাটো বাহিনীর ব্যবহৃত অস্ত্রও হাতে পেয়েছে তালেবানরা। ট্যাঙ্ক, কামান, মাল্টি ব্যারেল রকেট লঞ্চার ভারি মেশিনগানের পাশাপাশি
নিয়ন্ত্রণে নিয়েছে হেলিকপ্টার এমনকি, অত্যাধুনিক পাঁচটি ‘স্ক্যান ঈগল ড্রোন’। কুন্দুজ বিমানঘাঁটি থেকে নিয়ন্ত্রণে নেওয়া ওই ড্রোনগুলি বহুদূরে নজরদারি চালাতে সক্ষম। মার্কিন মদদপুষ্ট আফগান সেনাকে দেওয়া হয়েছিল আমেরিকান এম-২৪ স্নাইপার রাইফেল, এম-৪ কার্বাইন এবং এম-২৪০ হালকা মেশিনগান। কাবুল দখলের পরই তালেবানদের হাতে সেগুলো দেখা গেছে।
মার্কিন সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, আফগান সেনাকে দেওয়া এম-২ ব্রাউনিং ভারি মেশিনগান, অত্যাধুনিক ছয় নলা এম-১৩৪ মিনিগানও পেয়ে গেছে তালেবান।
পাশাপাশি, ন্যাটো বাহিনীর ন্যাভিস্টার মিলিটারি ট্রাক এবং ফোর্ড রেঞ্জার গাড়িতে তালেবানদের চেপে বসার ছবি এখন প্রকাশ্যে। মার্কিন সেনার এম-১১৪ কামানের অনেকগুলোই নিয়ন্ত্রণে নিয়েছে তালেবানরা।











