প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আঘাতপ্রাপ্ত হৃদয়টা শীতল করে দিয়েছেন বলে মন্তব্য করেছেন নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য শামীম ওসমান।
তিনি বলেন, আপনারা সবাই জানেন এবারের মৃত্যুবার্ষিকী আমাদের পরিবারের জন্য বেশি কষ্টের। আপনারা জানেন আমার পরিবারের কবরে শ্মশানের মাটি ফেলা হয়েছিল। এ ঘটনার পর আমি কাউকে দোষারোপ করতে নয়। শুধু কারা কাজটি করেছে তা বের করতে বলেছিলাম। সন্তান হিসেবে এভাবে বাবা-মাসহ পূর্ববর্তী বংশধরের কবরে শ্মশানের মাটি ফেলায় হৃদয়টাতে প্রচণ্ড আঘাত পেয়েছিলাম। তবে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সেদিন সংসদে (সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী সংসদে শামীম ওসমানকে উদ্দেশ্যে করে নাসিক নির্বাচনে ভালো ভূমিকা পালনের কারণে “অল থ্যাংকস টু ইউ” মন্তব্য করেছিলেন) আমাকে ডেকে নিয়ে যখন ধন্যবাদ দিয়ে মাথায় হাত ভুলিয়ে দিয়েছেন তখন আমার প্রচণ্ড মানসিক আঘাতপ্রাপ্ত হৃদয়টা শীতল করে দিয়েছেন। বাবা-মা, বড় ভাই তো নেই। নেত্রীর (প্রধানমন্ত্রী) সেই স্পর্শ যেন বাবা-মায়ের আদরের ছোয়া অনুভব করেছি।
রবিবার (২০ ফেব্রুয়ারি) বিকালে বাদ আছর শহরের উত্তর চাষাঢ়া হীরা মহলের পাশের মসজিদে শামীম ওসমানের বাবা ভাষা সৈনিক ও মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক ভাষা সৈনিক এ কে এম শামসুজ্জোহার ৩৫তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত দুআ অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
মুসল্লিদের উদ্দেশ্যে ক্ষমা প্রার্থনা করে শামীম ওসমান বলেন, আমার সঙ্গে যারা দুশমনি করেন। শক্রতা করেন। বিরোধী দলসহ যারা আছেন। যাদের সঙ্গে বন্ধুত্বও আছে। তাদের সবাইকে বলতে চাই, আমার বা আমার পরিবারের কারও মাধ্যমে কোন আচার-আচারণ, কথা বার্তা ও ব্যবহারে কোন কষ্ট পেয়ে থাকলে আল্লাহর ওয়াস্তে মাফ করে দিবেন।
তিনি বলেন, যেহেতু রাজনীতি করি। কত কথা বলি। প্রায় সময়ে ঘরে বাইরে আঘাতে জর্জরিত হই। রক্ত মাংসের মানুষ তো। তাই অনেক কথায় ভুল হয়েও যেতে পারে। মৃত্যু হয়ে গেলে তো নিজে ক্ষমা চাইতে পারবো না। ভাইরা এখানে যারা উপস্থিত আছেন তারা আমাদের ক্ষমা করে দিবেন। অনুপস্থিতদের কাছেও আমার ক্ষমা প্রার্থনার বার্তা পৌঁছে দিবেন প্লিজ। আর একটা অনুরোধ আপনারা আল্লাহর ওয়াস্তে আমার নেত্রী শেখ হাসিনা ও তার পরিবারের জন্য দুআ করবেন।










