ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মহাসচিব প্রিন্সিপাল মাওলানা ইউনুছ আহমাদ বলেছেন, ভাষা আন্দোলনের চেতনায় ডামি সরকারের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে হবে।
আজ মঙ্গলবার (২০ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে পুরানা পল্টনস্থ দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মজলিসে আমেলার সভায় এসব কথা বলেন।
মাওলানা ইউনুছ বলেন, বাংলাদেশের মানুষ ভাষার অধিকার আদায়ের জন্য জালিমের বুলেটের সামনে নিজেদের জীবন বিলিয়ে দিয়েছে। ১৯৫২ সালের ছাত্র জনতার এ আত্মত্যাগ যুগে যুগে বাংলাদেশী মানুষকে অন্যায়ের বিরুদ্ধে দুর্বার আন্দোলন করতে অনুপ্রাণিত করেছে। বাংলাদেশের মানুষ কল্যাণ রাষ্ট্র গঠনের জন্য অবৈধ ডামি সরকারকে বিতাড়িত করে জনগণের ভোটের অধিকার ও শি্ক্ষা কারিকুলাম পরিবর্তন করার জন্য দুর্বার আন্দোলন গড়ে তুলবে।
তিনি বলেন, পাওনা টাকা চাওয়ায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সূর্যসেন হলের ক্যান্টিন মালিককে মেরে দাড়ি টেনে ছিঁড়ে ফেলেছে হল শাখা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আরাফাত হোসাইন অভি। এমন ঘটনা খুবই পীড়দিায়ক। নবীর সুন্নত দাড়ি উপড়ে ফেলা চরম ইসলামবিদ্বেষের পরিচয়। ছাত্রলীগ সারাদেশে ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছে। জাবিতে ছাত্রলীগ স্বামীকে বেধে স্ত্রীকে দলবদ্ধ ধর্ষণ করেছে। ইবিতে র্যাগিংয়ের নামে ছাত্রদের উলঙ্গ করে প্রহারের ঘটনা ঘটেছে। এসব কী হচ্ছে, ছাত্রলীগের লাগাম টেনে না ধরতে পারলে দেশের জন্য অভিশাপ হবে ছাত্রলীগ। কাজেই ছাত্রলীগের ভয়াবহতা থেকে দেশ ও জাতিকে রড়্গায় এদের রম্নখে দিন। অন্যথায় দেশময় তীব্র আন্দোলন গড়ে উঠলে এদের রক্ষা হবে না।
তিনি আরও বলেন, চট্টগ্রামে একজন নওমুসলিমকে কেন্দ্র করে কতিপয় হিন্দুদের রামদা, লাঠিসোটা নিয়ে মিছিলের নামে উগ্রতা এবং জয় শ্রীরাম শেস্নাগান তুলে দেশে সাম্প্রদায়িক উস্কানীর নামে নতুন করে সঙ্কট সৃষ্টি করবে। দেশের সংবিধানে যে কোন ধর্ম পালনের অধিকার দেয়া আছে। কেউ স্বেচ্ছায় ইসলামধর্ম গ্রহণ ও পালন সংবিধান স্বীকৃত। এভাবে জয় শ্রীরামের নামে উগ্রতা মেনে নেওয়া যায় না।
এসময় মাওলানা ইউনুছ আহমাদ এমপিওভুক্ত স্কুল মাদরাসার রমজানের নির্ধারিত ছুটি বাতিলকে ধর্মীয় স্বাধীনতায় হস্থক্ষেপ হিসেবে উল্লেখ করে ছুটি বহাল রাখার দাবি জানান।
সভায় উপস্থিত ছিলেন দলের প্রেসিডিয়াম সদস্য অধ্যাপক আশরাফ আলী আকন, অধ্যাপক মাহবুবুর রহমান, যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা গাজী আতাউর রহমান, ইঞ্জিনিয়ার আশরাফুল আলম, সহকারি মহাসচিব মাওলানা হাফেজ মাওলানা শেখ ফজলে বারী মাসউদ, মাওলানা মুহাম্মদ ইমতিয়াজ আলম,কৃষিবিদ আফতাব উদ্দিন, কেএম আতিকুর রহমান, মাওলানা আহমদ আবদুল কাইয়ূম, মাওলানা লোকমান হোসাইন জাফরী, আলহাজ হারম্নন অর রশিদ, মাওলানা নেছার উদ্দিন, মাওলানা এবিএম জাকারিয়া, অ্যাডভোকেট শওকত আলী হাওলাদার, আলহাজ্ব আব্দুর রহমান, হাফেজ মাওলানা ফজলুল করীম মারূফ, মুফতী কেফায়েতুলস্নাহ কাশফী, বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল কাশেম, অধ্যাপক সৈয়দ বেলায়েত হোসেন, মাওলানা দেরাওয়ার হোসাইন সাকী, উপাধ্যড়্গ মাওলানা সিরাজুল ইসলাম, হাফেজ মাওলানা মাহমুদুল হাসান, অ্যাডভোকেট এম হাছিবুল ইসলাম, জিএম রম্নহুল আমীন, মাওলানা খলিলুর রহমান, মাওলানা নূরম্নল ইসলাম আলআমিন, মাওলানা আরিফুল ইসলাম, অধ্যাপক নাসির উদ্দিন খান, আলহাজ্ব সেলিম মহামুদ,ডা. দেলোয়ার হোসেন, আল মুহাম্মদ ইকবাল, আব্দুল আউয়াল মজুমদার।










