ইমারাতে ইসলামিয়া আফগানিস্তানের সীমান্ত ও উপজাতি বিষয়ক মন্ত্রী নূরুল্লাহ নূরি বলেছেন, দেশের ভেতরে থাকা আফগানরা আর কোনো নতুন শাসনব্যবস্থা চায় না। তার মতে, উদ্বেগ সৃষ্টি করে এমন বিদেশি প্রচারণা জনগণের কাছে গ্রহণযোগ্য নয়।
কুন্দুজ প্রদেশে এক জনসমাবেশে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি এ কথা বলেন।
নূরুল্লাহ নূরি বলেন, আফগানিস্তানে স্থিতিশীল সরকার গঠনের পর গত দুই দশকে পাকিস্তানের যে প্রভাব ছিল, তা এখন অনেকটাই কমে গেছে।
তিনি ইসলামি আমিরাতকে একটি স্বাধীন ব্যবস্থা হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, স্বাধীনতা বজায় রেখেই তারা সব দেশের সঙ্গে ভালো সম্পর্ক রাখতে চায়।
তিনি আরও বলেন, “আমরা প্রতিবেশী দেশ, আঞ্চলিক দেশ বা বিশ্বের কারও সঙ্গেই শত্রুতা চাই না, এবং আমরাও কোনো সমস্যা সৃষ্টি করি না।”
আফগান সীমান্তমন্ত্রী বলেন, সীমান্তকে ইসলামি ব্যবস্থার সীমারেখার অংশ হিসেবে বিবেচনা করা হয় এবং আফগানরা তাদের ভূমি জীবন ও সম্পদ দিয়ে রক্ষা করবে।
দেশের আর্থিক পরিস্থিতি নিয়ে তিনি বলেন, “পাঁচ বছরের মধ্যে আফগানিস্তান কারো কাছে ঋণ করেনি। যে ঋণগুলো আছে, সেগুলো আগের সরকারের নেওয়া।”
অন্যদিকে, কিছু রাজনৈতিক বিশ্লেষক এসব বক্তব্যের প্রসঙ্গ টেনে আফগানিস্তান বিষয়ে পাকিস্তানের নীতিকে ব্যর্থ বলে মন্তব্য করেছেন।
রাজনৈতিক বিশ্লেষক হেমাতুল্লাহ আহমাদি বলেন, “শুধু ইমারাতে ইসলামিয়ার কর্মকর্তারাই নয়, পাকিস্তানের ভেতরেও ধর্মীয় আলেম ও রাজনৈতিক ব্যক্তিরা দেশটির সামরিক সরকারের সমালোচনা করেছেন।”











