আজ ২১ এপ্রিল থেকে শুরু হচ্ছে এসএসসি-দাখিল ও সমমানের পরীক্ষা। এবার মোট ১৮ লাখ ৫৭ হাজার ৩৪৪ জন শিক্ষার্থী এ পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছে।
সোমবার (২০ এপ্রিল) সচিবালয়ে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন এ তথ্য জানান। এ সময় শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন উপস্থিত ছিলেন।
মাহদী আমিন জানান, এবার নয়টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এসএসসি পরীক্ষার্থী ১৪ লাখ ১৮ হাজার ৩৯৮ জন, মাদরাসা বোর্ডের অধীনে দাখিল পরীক্ষার্থী ৩ লাখ ৪ হাজার ২৮৬ জন এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ১ লাখ ৩৪ হাজার ৬৬০ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিচ্ছে। মোট ৩০ হাজার ৬৬৬টি প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা ৩ হাজার ৮৮৫টি কেন্দ্রে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা দেবে।
তিনি বলেন, পরীক্ষার্থীরা যাতে শান্ত, স্বাভাবিক ও নির্বিঘ্ন পরিবেশে পরীক্ষা দিতে পারে, সে জন্য সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান-প্রধানদের নিরাপদ পানি, আলো ও ফ্যান, স্বাস্থ্যকর টয়লেট এবং জরুরি বিদ্যুতের ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে। পরীক্ষাকেন্দ্র ও এর আশপাশ যানজটমুক্ত রাখার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের চলাচল নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন রাখার নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে।
মাহদী আমিন আরও বলেন, করোনাজনিত কারণে এবারের এসএসসি ব্যাচ প্রাথমিক ও জুনিয়র উভয় বৃত্তি পরীক্ষা থেকে বঞ্চিত হয়েছে। ফলে এটি তাদের জীবনের প্রথম পূর্ণ সিলেবাসের পাবলিক পরীক্ষা। সে কারণে পরীক্ষার হল পরীক্ষার্থীবান্ধব রাখতে সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, অভিভাবকদেরও অকারণে আতঙ্কিত হওয়ার প্রয়োজন নেই। কর্তব্যরত ম্যাজিস্ট্রেট, পরিদর্শক ও ইনভিজিলেটরদের দায়িত্ব হবে পরীক্ষার্থীবান্ধব পরিবেশ বজায় রাখতে সহায়তা করা। প্রশ্নপত্রের কোনো অংশে দুর্বোধ্যতা থাকলে সেটি নিরসনেও সহায়তা করতে হবে।
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র বলেন, বিগত জুলাই অভ্যুত্থানে কোমলমতি ছাত্রছাত্রীরা যেভাবে রাজপথে প্রতিবাদমুখর থেকেছে এবং দেওয়ালে গ্রাফিতি এঁকে নিজেদের সম্পৃক্ত করেছে, তাদের সেই সৃজনশীলতা পরীক্ষায়ও প্রতিফলিত হবে, ইনশাআল্লাহ।
তিনি আরও বলেন, এবারের পরীক্ষার প্রশ্নপত্র বিগত সরকারের সময়ে প্রণীত হওয়ায় এ বিষয়ে নির্দেশনা প্রদানের সুযোগ তাদের ছিল না। উত্তরপত্র মূল্যায়নের ক্ষেত্রে অহেতুক কঠোরতা নয়, কোনো পরীক্ষার্থী যেন তার প্রাপ্য মূল্যায়ন থেকে বঞ্চিত না হয়, সেটি নিশ্চিত করতে হবে।











