বিএনপি চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, আন্দোলন চলাকালে তথাকথিত ‘গুপ্ত’ শক্তিকে অনেক খোঁজা হলেও রাজপথে তাদের উপস্থিতি দেখা যায়নি। সোমবার (২০ জুলাই) সন্ধ্যায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।
যুগপৎ আন্দোলনের শরিক দলগুলোর নেতাদের সম্মানে আয়োজিত নৈশভোজের আগে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে তিনি বলেন, “একটি শব্দ ‘গুপ্ত’ ব্যবহার করলেই সাধারণ মানুষ তাদের চিনতে পারে। কিন্তু আন্দোলনের সময় আমরা তাদের পাইনি। আপনারা কি রাজপথে তাদের দেখেছিলেন?” তিনি আরও দাবি করেন, বিভিন্ন সময়ে এসব ব্যক্তিদের দেশের বাইরে পালিয়ে যাওয়া গোষ্ঠীর সঙ্গে দেখা গেছে।
তিনি বলেন, দেশের মানুষ যুগপৎ আন্দোলনের নেতৃত্বের ওপর আস্থা রেখেছে বলেই রাজনৈতিক পরিবর্তন সম্ভব হয়েছে। সেই আস্থা ধরে রাখতে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে ঐক্য বজায় রাখার আহ্বান জানান তিনি।
বক্তব্যে তিনি জানান, অন্তর্বর্তী সরকারের এক উপদেষ্টার সঙ্গে আলোচনায় উঠে এসেছে, তাদের শাসনামলে প্রশাসনের বড় অংশে ওই ‘গুপ্তবাহিনী’র প্রভাব ছিল। নির্বাচনের পর জনগণের রায়ের ফলে তারা দিশাহারা হয়ে বিভিন্ন বক্তব্য দিচ্ছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
তারেক রহমান বলেন, দীর্ঘ ১৬–১৭ বছরের শাসনে দেশের অর্থনীতি, জ্বালানি, বিদ্যুৎ, শিক্ষা, যোগাযোগ ও স্বাস্থ্য খাত ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এসব সংকট মোকাবিলায় সবাইকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।
তিনি আরও বলেন, রাষ্ট্র সংস্কারের জন্য ঘোষিত ‘৩১ দফা’ এখন শুধু রাজনৈতিক অঙ্গীকার নয়, বরং জনগণের প্রত্যাশায় পরিণত হয়েছে। মতভিন্নতা থাকলেও এতে কোনো বিভেদ নেই উল্লেখ করে তিনি বলেন, “আমরা একসঙ্গে আছি, ভবিষ্যতেও একসঙ্গে থাকব।”
বক্তব্যের শুরুতে তিনি আন্দোলন-সংগ্রামে অংশ নেওয়া নেতাকর্মীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান এবং বলেন, জনগণের ভোটের মাধ্যমে রাজনৈতিক অধিকার প্রতিষ্ঠা সম্ভব হয়েছে।










