চট্টগ্রামের বন্যাকবলিত অসহায় ও ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে জাতীয় ইমাম পরিষদ বাংলাদেশ।
মঙ্গলবার(২১ জুলাই) চট্টগ্রামের বাঁশখালী ও সাতকানিয়া উপজেলায় বন্যাদুর্গত পরিবারের মাঝে জরুরি খাদ্যসামগ্রী, নগদ অর্থসহ বিভিন্ন প্রয়োজনীয় ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করা হয়।
ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রমে নেতৃত্ব দেন জাতীয় ইমাম পরিষদ বাংলাদেশের সভাপতি মুফতী আবদুল্লাহ ইয়াহইয়া। এ সময় উপস্থিত ছিলেন মুফতী ইউনুস আহমাদ, মুফতী মানজুর আহমাদ, মুফতী জাকির হুসাইন, মুফতী রকিব উদ্দিন, মুফতী জুনাইদ আহমাদ ও মাওলানা আব্দুল্লাহ আল নোমানসহ সংগঠনের অন্যান্য নেতারা।
ত্রাণ বিতরণকালে জাতীয় ইমাম পরিষদের সভাপতি মুফতী আবদুল্লাহ ইয়াহইয়া বলেন, সাম্প্রতিক ভয়াবহ বন্যায় চট্টগ্রামের বহু পরিবার মানবেতর জীবনযাপন করছে। এ দুর্যোগে সামর্থ্যবান ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানগুলোর উচিত ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানো।
তিনি জানান, মানবিক দায়বদ্ধতার অংশ হিসেবে জাতীয় ইমাম পরিষদ বাংলাদেশ গত এক সপ্তাহ ধরে ত্রাণ সংগ্রহ কার্যক্রম পরিচালনা করে বন্যাদুর্গত মানুষের হাতে নগদ অর্থ ও খাদ্যসামগ্রী পৌঁছে দেওয়ার উদ্যোগ বাস্তবায়ন করেছে।
সংগঠনের নেতারা বলেন, দুর্যোগে মানুষের পাশে দাঁড়ানো ইসলামের অন্যতম শিক্ষা। তাই সমাজের সকল শ্রেণি-পেশার মানুষের উচিত বন্যার্তদের সহযোগিতায় এগিয়ে আসা, যাতে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো দ্রুত স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে পারে।
ত্রাণ বিতরণ শেষে নেতারা বন্যাকবলিত মানুষের দ্রুত পুনর্বাসন, দেশের শান্তি-সমৃদ্ধি এবং জাতিকে সকল দুর্যোগ থেকে হেফাজতের জন্য মহান আল্লাহর দরবারে দোয়া করেন। পাশাপাশি বন্যার্তদের পুনর্বাসনে সরকার ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানান।
এদিকে, ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রম শেষে জাতীয় ইমাম পরিষদ বাংলাদেশের নেতৃবৃন্দ চট্টগ্রামের হাটহাজারী মাদরাসার মুহতামিম আল্লামা খলীল আহমাদ কোরাইশী এবং পটিয়া মাদরাসার মুহতামিম মাওলানা ইকরাম হুসাইন ওয়াদুদীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।










