আফগানিস্তানে নারীদের অধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগকে ভিত্তিহীন বলে প্রত্যাখ্যান করেছে ইমারাতে ইসলামিয়া আফগানিস্তান। দেশটির সৎকাজের আদেশ, অসৎকাজে নিষেধ ও অভিযোগ শোনা বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র সাইফুল ইসলাম খাইবার বলেছেন, আফগান সরকার নারীদের অধিকারের প্রতি বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছে। শরিয়াহর কাঠামোর মধ্যেই নারী ও কিশোরীদের অধিকার নিশ্চিত করা হয়েছে।
তিনি বলেন, ‘নারীদের অধিকারের প্রতি বিশেষ মনোযোগ দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে নারীরা এমন সব অধিকার ভোগ করছেন, যা আফগানিস্তানের ইতিহাসে নজিরবিহীন।’
অন্যদিকে, দেশটিতে নারীশিক্ষা, কর্মসংস্থান ও জনজীবনে অংশগ্রহণের ওপর বিদ্যমান বিধিনিষেধ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে জাতিসংঘ।
জাতিসংঘের নারী বিষয়ক সংস্থার নীতি ও কর্মসূচি বিভাগের প্রধান সারা হেনড্রিকস বলেছেন, এসব বিধিনিষেধের কারণে আফগানিস্তান নারী ও কিশোরীদের জন্য বিশ্বের অন্যতম গুরুতর সংকটের মুখোমুখি হয়েছে।
তিনি বলেন, ‘জনজীবনে নারীদের উপস্থিতি ও অংশগ্রহণ গুরুত্বপূর্ণ। নারীদের রাজনৈতিক ক্ষমতায়নও তাঁদের জীবনের গতিপথ পরিবর্তন করতে পারে। জাতিসংঘ আফগান নারীদের প্রতি সমর্থন অব্যাহত রাখবে। তাঁদের অধিকার ও অংশগ্রহণ উপেক্ষা করা যাবে না। এসব অধিকার কেড়ে নেওয়া কিংবা আপসের বিষয় হতে পারে না।’
উল্লেখ্য, আফগানিস্তানে ষষ্ঠ শ্রেণির পর মেয়েদের প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার ওপর বিধিনিষেধ আরোপের পাঁচ বছর পূর্ণ হয়েছে। নারীদের বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার ওপর বিধিনিষেধের প্রায় চার বছর এবং কিছু প্রতিষ্ঠানে তাঁদের কর্মসংস্থানের ওপর বিধিনিষেধের তিন বছরের বেশি সময় পেরিয়েছে।
জাতিসংঘের শিশু তহবিল ইউনিসেফের তথ্য অনুযায়ী, ২০২১ সাল থেকে আফগানিস্তানে ২৬ লাখের বেশি কিশোরী মাধ্যমিক শিক্ষার সুযোগ থেকে বঞ্চিত হয়েছে।
সূত্র : টোলো নিউজ











