অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, নির্বাচনের দিন যেন কোনো কিছুর অভাব বোধ না হয়, সে বিষয়ে সর্বোচ্চ মনোযোগী হতে হবে। ১২ ফেব্রুয়ারি কোথাও যেন কোনো গলদ না থাকে। ২০২৬ সালের নির্বাচন যেন এমন একটি নির্বাচন হয়, যা ভবিষ্যতে নির্বাচনের ক্ষেত্রে আদর্শ তৈরি করবে।
বুধবার (২১ জানুয়ারি) নির্বাচন ও জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নের ওপর আয়োজিত গণভোটকে সামনে রেখে সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে একটি উচ্চ পর্যায়ের সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
বৈঠকে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, আমরা আসলে নির্বাচন কমিশনকে সাহায্য করব, এটাই আমাদের কাজ। জাতির জন্য এটা বড় এক চ্যালেঞ্জ, যা আমাদের নিতে হবে এবং এই বিশাল কাজটি শেষ করে তাকে ঐতিহাসিক অর্জন হিসেবে দাঁড় করাতে হবে।
তিনি বলেন, নির্বাচনকে সামনে রেখে আমাদের ধাপে ধাপে পরীক্ষা শুরু হলো। আজ থেকে শুরু, ১২ ফেব্রুয়ারি হবে ফাইনাল। ইসির নির্দেশই এখন সবচেয়ে বড় নির্দেশ, ইসির নির্দেশনা মেনে সবাইকে একযোগে কাজ করতে হবে।
তিনি আরও বলেন, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আইনশৃঙ্খলাসংক্রান্ত কমান্ডের মূল ভূমিকায় থাকবে। এখন নানা ধরনের চ্যালেঞ্জ রয়েছে, একসঙ্গে যুক্ত হয়েছে নানা প্রযুক্তিগত চ্যালেঞ্জ।
ড. ইউনূস বলেন, আমরা এবারের নির্বাচনে বডি ক্যামেরা ব্যবহার করব। সিসি ক্যামেরা ব্যবহার করব, কেন্দ্রীয় কন্ট্রোল রুম থেকে সবকিছু মনিটরিং করা হবে।
তিনি বলেন, দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে বাহিনীগুলোর মধ্যে সমন্বয়ে যেন কোনো রূপ ঘাটতি না থাকে, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।
তিনি আরও বলেন, এবার নির্বাচনকে ঘিরে দেশ ও বিদেশের বিপুলসংখ্যক সাংবাদিক নির্বাচন কভার করবে এবং দেশি-বিদেশি পর্যবেক্ষকরা বিপুল আগ্রহ দেখাচ্ছে। তারা বিষয়টিকে খুবই সিরিয়াসলি নিয়েছে, আমাদেরও এ বিষয়ে সুপার সিরিয়াস থাকতে হবে।
প্রধান উপদেষ্টা, ‘আমাদেরই সবকিছুর জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে। এই মুহূর্তে যে পরিস্থিতি বিরাজ করছে এবং যে প্রস্তুতি রয়েছে, তাতে একটি সুন্দর নির্বাচন সম্ভব।
তিনি বলেন, নির্বাচনে যারা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন, তারা প্রত্যেকেই ইতিবাচক মনোভাব পোষণ করছেন এবং পারস্পরিক সৌহার্দ্য বজায় রেখে চলছেন। আশা করি, তারা কেউই এই মনোভাব থেকে সরে যাবেন না।











