শিথিল করার বদলে সম্ভবত আরও কড়া লকডাউনের পথ বেছে নিচ্ছে জার্মানি৷ বেশ কয়েক মাস ধরে জার্মানিতে লাগাতার লকডাউনচলে আসছে৷ কখনো বিধিনিয়ম কড়া করা হচ্ছে, কখনো কিছুটা শিথিল করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে৷ করোনা সংকটের মোকাবিলায় সরকার ও প্রশাসন অন্য কোনও কার্যকর পদক্ষেপ নিতে ব্যর্থ হচ্ছে বলে জোরালো সমালোচনা শোনা যাচ্ছে৷
সোমবার (২২ মার্চ) চ্যান্সেলর ম্যার্কেল ও মুখ্যমন্ত্রীরা সেই সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন৷
রোববার জার্মানিতেপ্রতি এক লাখ মানুষের মধ্যে সাপ্তাহিক গড় সংক্রমণের হার ১০০ পেরিয়ে গেছে৷ অথচ সপ্তাহান্তে করোনা পরীক্ষার সব তথ্য রবার্ট কখ ইনস্টিটিউটের কাছে না পৌঁছানোর কারণে প্রকৃত চিত্র পাওয়া কঠিন হয়৷ তাই চলতি সপ্তাহে সংক্রমণের হার আরও বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে৷ হাসপাতালের ইন্টেনসিভ কেয়ার ইউনিটগুলিতে করোনায় আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বেড়ে চলেছে৷ মে মাসের শুরুতে প্রায় পাঁচ হাজার মানুষের এমন জরুরি চিকিৎসার প্রয়োজন পড়তে পারে বলে বিশেষজ্ঞরা আশঙ্কা করছেন৷
যারা এই দেশে ভ্রমণ করবেন তাদের ক্ষেত্রে বেশ কয়েকটি নিয়ম চালু করেছে সরকার, যা ২৭ জানুয়ারি থেকে কার্যকর হয়েছে৷ সীমান্তে করোনা পরীক্ষা বাধ্যতামূলক৷ শেনজেন অঞ্চলের দেশগুলোর মধ্যে অবাধ চলাচলের ব্যাপারে নিয়ন্ত্রণ আরোপ করা হয়েছে৷ এসব দেশ থেকে জরুরি কাজ বা প্রয়োজনের কাগজ দেখিয়ে তবে ফিনল্যান্ডে প্রবেশ করা যাবে৷











