ভারতের হোটেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে নিহত সাতক্ষীরার কালিগঞ্জের ঘের ব্যবসায়ী আলিমুজ্জামান সাজুর লাশ দেশে পৌঁছেছে।
শনিবার (২২ আগস্ট) সাড়ে বারোটায় ভোমরা স্থলবন্দর দিয়ে পরিবারের কাছে লাশ হস্তান্তর করা হয়।
ভারতের ঘোজাডাঙ্গা ইমিগ্রেশনের আনুষ্ঠানিকতা শেষে শনিবার সাড়ে ১২টায় ভোমরা স্থলবন্দর ইমিগ্রেশন পুলিশ নিহত আলিমুজ্জামান সাজুর লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করে। পরিবারের পক্ষে ছোট ভাই মাহাবুবুর নবী দীপু লাশ গ্রহণ করেন।
নিহত আলিমুজ্জামান সাজু, বয়স ৪৫। তিনি সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলার তারালী ইউনিয়নের বরেয়া গ্রামের মৃত ইউনুচ সরদারের ছেলে। পেশায় ছিলেন একজন ঘের ব্যবসায়ী।
স্বজনরা জানান, চিকিৎসার জন্য ভারতে গিয়েছিলেন সাজু। বুধবার তাঁর দেশে ফেরার কথা থাকলেও রাতেই খবর আসে, যে হোটেলে তিনি অবস্থান করছিলেন সেখানে আগুন লেগে তিনি মারা গেছেন। “চিকিৎসা করিয়ে দেশে ফেরার কথা ছিল। কিন্তু হঠাৎ ফোনে জানতে পারি হোটেলে আগুন লেগে ভাই মারা গেছেন। আজ লাশ দেশে আনতে পেরেছি।”
একই অগ্নিকাণ্ডে কালিগঞ্জের আরেক বাসিন্দা রেবতীও নিহত হন। তিনি চিকিৎসার জন্য ভারতে গিয়ে ওই হোটেলে অবস্থান করছিলেন। পরিবারের সদস্যরা ভারতের নিমাইতলা শ্মশানে তার শেষকৃত্য সম্পন্ন করেন।
গত মঙ্গলবার রাত দুটার দিকে ভারতের ওই হোটেলে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। এতে মোট সাতজন বাংলাদেশির মৃত্যু হয়। হোটেলটিতে প্রায় ২৫ জন বাংলাদেশি অবস্থান করছিলেন বলে জানা গেছে।










