ইমারাতে ইসলামিয়া আফগানিস্তানের সৎকাজ প্রচার ও অসৎকাজ প্রতিরোধ মন্ত্রী মাওলানা মুহাম্মদ খালিদ হানাফী বলেছেন, ইমারাতে ইসলামিয়ার দুটি বড় লক্ষ্য ছিল। একটি আফগানিস্তানের দখলদারত্বের অবসান ঘটানো, অন্যটি সারা দেশে পূর্ণাঙ্গভাবে ইসলামী শরিয়া বাস্তবায়ন করা। কাবুলে এক অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, তাদের নীতি সবার কাছে স্পষ্ট ও স্বচ্ছ ছিল।
মাওলানা খালিদ হানাফী বলেন, “আমাদের নীতি সবার কাছে স্পষ্ট ও স্বচ্ছ ছিল। আমাদের দুটি উদ্দেশ্য ছিল: দখলদারদের বহিষ্কার এবং সারা দেশে ইসলামী শরিয়ার প্রয়োগ ও বাস্তবায়ন।”
অনুষ্ঠানে মন্ত্রী আরও বলেন, সৎকাজ প্রচার ও অসৎকাজ প্রতিরোধ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা মুহতাসিবরা (সৎকাজে উদ্বুদ্ধ করা ও অসৎকাজ প্রতিরোধে নিয়োজিত তদারকি কর্মকর্তা) মানুষকে ধর্মীয় অনুশাসন মেনে চলার আহ্বান জানাতে এবং ইসলামী শরিয়া বাস্তবায়নে বাধ্য। তার ভাষায়, সবার আচরণ ও বাহ্যিক উপস্থিতি ইসলামী শরিয়া অনুযায়ী হওয়া উচিত, আর এ বিষয়ে দৃঢ়ভাবে পদক্ষেপ নেওয়া মুহতাসিবদের দায়িত্ব।
হানাফী বলেন, “একজন মুহতাসিবের জন্য ইসলামী শরিয়া বাস্তবায়ন করা বাধ্যতামূলক। কেউ কেউ আমাকে বলে দাড়ির প্রসঙ্গ ছেড়ে দিতে। যদি তাই করি, তাহলে বিদেশিদের কী বলব। তারা দাবি করে, আমরা ব্যক্তিগত গোপনীয়তা লঙ্ঘন করছি। এটা কীভাবে গোপনীয়তা লঙ্ঘন হয়। আপনারা তো আলেম, আপনারাই বিচার করুন, এটা কি সত্যিই ব্যক্তিগত গোপনীয়তার বিষয়।”
বক্তব্য মাওলানা খালিদ হানাফী মন্ত্রণালয়ের বিরোধিতাকারীদের সমালোচনা করে বলেন, এসব সমালোচনার কোনো ভিত্তি নেই, তাই তা বিবেচনায় নেওয়া হবে না।
সূত্র : তুলো নিউজ











