ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর আমীর মুফতী রেজাউল করীম চরমোনাই পীর বলেছেন, দেশের মানুষ এখনও স্বাধীন নয়। মানুষের জান ও মালের নিরাপত্তা নিশ্চিত হয়নি। নাগরিক অধিকার ও ভোটাধিকার খর্ব করা হয়েছে। এটা স্বাধীনতার চেতনা পরিপন্থি। স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীর এ সময়েও এ দেশের মানুষ তাদের মৌলিক অধিকার, ভোটাধিকার ও বাকস্বাধীনতা থেকে বঞ্চিত। তাই মানুষের মৌলিক ও মানবাধিকার প্রতিষ্ঠায় আবারও মুক্তিযুদ্ধ করতে হবে।
বৃহস্পতিবার (২৩ ডিসেম্বর) সকালে পুরানা পল্টনস্থ আইএবি মিলনায়তনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর কেন্দ্রীয় মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক বিভাগের উদ্যোগে স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে মুক্তিযোদ্ধা সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
মুফতী রেজাউল করীম বলেন, দেশে এখন চরম বৈষম্য চলছে; যা অতীতের সকল ইতিহাসকে ম্লান করে দিয়েছে। এজন্য শুধু নেতা নয়, নীতির পরিবর্তন ঘটাতে হবে। সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার জন্য ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।
মুফতী রেজাউল করীম আরও বলেন, মুক্তিযুদ্ধে দলমত, ধর্ম ও বর্ণ নির্বিশেষে সর্বস্তরের মানুষ অংশ নিয়ে দেশকে পরাধীনতার হাত থেকে মুক্ত করেছিল। আজ স্বাধীনতার ৫০ বছর পর চেতনার নামে দেশপ্রেমিক ও ইসলামপন্থিদেরকে দাবিয়ে রাখতে বিভক্তি সৃষ্টি করা হচ্ছে। মানুষের জান-মাল, ইজ্জত-আব্রু, নিরাপত্তা এবং সর্বক্ষেত্রে ইনসাফ প্রতিষ্ঠায় আরও একটি সংগ্রাম করতে হবে।
এতে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টির চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা মেজর জেনারেল অব. সৈয়দ মুহাম্মাদ ইবরাহীম, ইসলামী আন্দোলনের প্রেসিডিয়াম সদস্য প্রিন্সিপাল মাওলানা মোসাদ্দেক বিল্লাহ আল-মাদানী, মহাসচিব অধ্যক্ষ মাওলানা ইউনুছ আহমাদ, যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা গাজী আতাউর রহমান, সহকারী মহাসচিব মাওলানা ইমতিয়াজ আলম প্রমুখ।










