ফরিদপুরে চিকিৎসা দেওয়ার নামে এক তরুণীকে যৌন নিপীড়নের দায়ে হানিফ শেখ নামের এক কবিরাজকে ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও ছয় মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
সোমবার (২৪ আগস্ট) দুপুরে ফরিদপুর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক, জেলা ও দায়রা জজ শামিমা পারভিন এ রায় ঘোষণা করেন।
রায় ঘোষণার সময় আসামি পলাতক ছিলেন। হানিফ শেখ ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলার ময়েনদিয়া গ্রামের মো. লাল মিঞা শেখের ছেলে।
মামলার এজাহার ও আদালত সূত্রে জানা যায়, হানিফ শেখ দীর্ঘদিন ধরে ঝাড়ফুঁকের মাধ্যমে অপচিকিৎসা ও নারী নির্যাতন চালিয়ে আসছিলেন। ২০২৫ সালের ২২ মার্চ ভুক্তভোগী ওই তরুণী তার ছোট বোনকে নিয়ে হানিফ শেখের বাড়িতে চিকিৎসা নিতে যান।
এ সময় চিকিৎসা দেওয়ার কথা বলে তাকে একটি টিনের ঘরে নিয়ে জোরপূর্বক যৌন নিপীড়ন করেন হানিফ শেখ। ভুক্তভোগী প্রতিবাদ করলে তাকে বিভিন্ন ধরনের ভয়ভীতি ও হুমকি দেওয়া হয়। একই সঙ্গে ঘটনাটি কাউকে জানাতে নিষেধ করেন তিনি।
এ বিষয়ে পাবলিক প্রসিকিউটর, পিপি অ্যাডভোকেট গোলাম রব্বানী ভূইয়া রতন বলেন, ‘দীর্ঘ সাক্ষ্যপ্রমাণ ও শুনানির পর রাষ্ট্রপক্ষ অভিযোগটি সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণ করতে সক্ষম হয়েছে। এই রায়ের মাধ্যমে সমাজে অপচিকিৎসা ও ভণ্ডামির বিরুদ্ধে কঠোর বার্তা পৌঁছাবে এবং ভুক্তভোগী পরিবার ন্যায়বিচার পেয়েছে।’










