সম্প্রতি ভারতের উত্তর প্রদেশের হিন্দুত্ববাদী বিজেপি সরকার কর্তৃক পরিচালিত বেসরকারী মাদরাসা সমীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে। বিশ্ববিখ্যাত দারুল উলূম দেওবন্দ ও সাহারানপুরে অবস্থিত মাজাহিরুল উলূমসহ সাড়ে সাত হাজার মাদরাসাকে এই সমীক্ষায় রাখা হয়নি। অর্থাৎ এই মাদরাসাগুলোকে অননুমোদিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে ধরা হয়েছে।
এই ব্যাপারে দারুল উলূম দেওবন্দের মুহতামিম মুফতী আবুল কাসীম নোমানী বলেন, দারুল উলূম দেওবন্দ ভারতের সংবিধান অনুযায়ী প্রতিষ্ঠিত এবং সংবিধানে প্রদত্ত ধর্মীয় স্বাধীনতার অধীনে শিক্ষামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করে। দারুল উলূম দেওবন্দ একটি স্বাধীন বিধিবদ্ধ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান।
তিনি বলেন, এটা সত্য যে আমাদের মাদ্রাসা কোনো বোর্ডের অধিভুক্ত নয়। তবে এটি একটি স্বাধীন আইনি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, যা (ভারতের) সংবিধানের ২৫ অনুচ্ছেদে ধর্মীয় শিক্ষা প্রদান করে। দারুল উলূম দেওবন্দ সোসাইটি আইনের অধীনে নিবন্ধিত একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান যা কোন প্রকার সরকারী সাহায্য নেয় না।
মুফতী আবুল কাসীম নোমানী বলেন, দারুল উলূম দেওবন্দ শুরা সোসাইটি সোসাইটি আইনের অধীনে নিবন্ধিত এবং এই আইনের অধীনেই দারুল উলূম দেওবন্দ চলে। দারুল উলূম দেওবন্দ ভারতের সংবিধান অনুযায়ী প্রদত্ত ধর্মের স্বাধীনতার অধীনে ধর্মীয় শিক্ষা দিয়ে থাকে।
দারুল উলূম দেওবন্দের মুহতামিম আরও বলেন, সোসাইটি অ্যাক্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পরিচালনার অনুমোদন দেয়। এই আইনের অধীনে যেসব প্রতিষ্ঠান আছে সেগুলো কোনো বোর্ডের অধিভুক্ত না হওয়ার কারণে অননুমোদিত বলা যেতে পারে তবে সেগুলো অবৈধ নয়।
তিনি স্পষ্ট ভাষায় বলেন, দারুল উলূম দেওবন্দ গত দেড়শত বছর ধরে জনসাধারণের অনুদানে চলছে এবং এটি কখনো কোনো সরকারের কাছ থেকে কোনো ধরনের সহায়তা নেয়নি।











