টানা ৩৬ দিনের আন্দোলনের পর সাফল্য পেয়েছে ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)। ভারতের শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান পদত্যাগ করেছেন এবং আন্দোলনকারীরাও ঘরে ফিরেছেন। এ সফল আন্দোলনের নেতৃত্ব দেওয়া সিজেপির নেতারা ভবিষ্যতে রাজনীতিতে যোগ দেবেন কি না, তা নিয়ে বিভিন্ন মহলে কৌতূহল তৈরি হয়েছে।
এ বিষয়ে সিজেপির দুই মুখপাত্র সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কার সাক্ষাৎকার নিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি। সাক্ষাৎকারে তারা জানান, ককরোচ জনতা পার্টি আপাতত পূর্ণকালীন রাজনীতিতে যোগ দিচ্ছে না। তাদের বর্তমান লক্ষ্য দেশজুড়ে যুবভিত্তিক তৃণমূল আন্দোলনকে আরও শক্তিশালী করা।
আশুতোষ রাঙ্কা বলেন, আপাতত তিনি বাড়ি ফিরে বিশ্রাম নিতে চান। ভবিষ্যতে রাজনীতিতে যোগ দেওয়ার সম্ভাবনা সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘ভারতে কোনো কিছুই কখনো পুরোপুরি নাকচ করা যায় না।’
অন্যদিকে মুখপাত্র সৌরভ দাস স্পষ্ট করে বলেন, বর্তমানে রাজনৈতিক দল গঠন তাদের লক্ষ্য নয়। দেশে বহু রাজনৈতিক দল থাকলেও তরুণদের প্রত্যাশা পূরণে তারা ব্যর্থ হয়েছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
সৌরভ দাস বলেন, সিজেপি এমন একটি গণআন্দোলন গড়ে তুলতে চায়, যাতে যে দলই ক্ষমতায় থাকুক, তরুণদের দাবি পূরণে বাধ্য হয়।
আশুতোষ রাঙ্কা জানান, সরকারের সঙ্গে শেষ দফার বৈঠকে বাকি দাবিগুলো নিয়ে দ্রুত সমঝোতা হয়। শান্তিপূর্ণ আন্দোলনে অংশ নেওয়া সংগঠক ও আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া মামলাগুলো প্রত্যাহারের বিষয়েও সরকার নীতিগতভাবে সম্মত হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।
সরকার এত দেরিতে আলোচনায় কেন এগিয়ে এলো, এমন প্রশ্নের জবাবে রাঙ্কা বলেন, এর উত্তর সরকারেরই দেওয়া উচিত।
তিনি আশা প্রকাশ করেন, ভবিষ্যতে আন্দোলনকারীদের আর ‘দেশবিরোধী’ বলে আখ্যায়িত করা হবে না।










