বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন প্রধান আমীরে শরীয়ত আল্লামা আতাউল্লাহ হাফেজ্জী সীমান্তে বাংলাদেশী নাগরিক হত্যা বন্ধে ভারত সরকারের প্রতিশ্রুতি ভঙ্গের ব্যাপারে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।
তিনি বলেন, ভরতীয় সীমান্ত রক্ষী বাহিনী বারবার আন্তর্জাতিক সীমান্ত আইন লঙ্ঘন করে নিরপরাধ বাংলাদেশী নাগরিকদের নির্যাতন ও হত্যার পরেও কোন জবাবদিহি না থাকায় সীমান্ত হত্যা বন্ধ হচ্ছে না। বি এস এফ প্রায়ই অবৈধ অনুপ্রবেশ ঠেকানোর অজুহাতে বাংলাদেশী নাগরিকদের জোর করে ধরে নিয়ে নির্যাতন চালায়।
রোববার (২৬ ডিসেম্বর) গণমাধ্যমে দেওয়া এক বিবৃতিতে তিনি এসব কথা বলেন।
আল্লামা আতাউল্লাহ হাফেজ্জী বলেন, সরকারের দুর্বল পররাষ্ট্র নীতির কারণেই সীমান্তে এসব বর্বর হত্যাকাণ্ড চলছে। পররাষ্ট্রমন্ত্রী শুধু দুঃখ জনক ও লজ্জা জনক বলেই দায় এড়িয়ে যাচ্ছেন। ভারতের মতো প্রতিবেশী রাষ্ট্র থেকে এমন অমানবিক নির্যাতন ও হত্যাকাণ্ড আশা করা যায় না।
তিনি আরো বলেন, স্বাধীনতার পর থেকে বর্তমান পর্যন্ত বিভিন্ন দেশী-বিদেশী মানবাধিকার সংগঠন ও সংবাদপত্রের প্রতিবেদন ও পরিসংখ্যান অনুযায়ী তিন সহস্রাধীক সাধারণ নিরীহ বাংলাদেশেী নাগরিকদের হত্যা করেছ ভরতীয় বাহিনী । আজো পর্যন্ত কোনো হত্যাকান্ডের সঠিক বিচার হয় নাই। ২০১১ সালের জানুয়ারিতে ১৫ বছর বয়সী কিশোরী ফেলানীকে গুলি করে হত্যা করে সীমান্তের কাটা তারে ঝুলিয়ে রেখেছিল বি এস এফ। ফেলানী হত্যাকান্ডের এখন পর্যন্ত বিচার হয়নি।
তিনি আরো বলেন, সীমান্তে চোরা চালান ও অবৈধ অনুপ্রবেশ ঠেকানোর নামে বি এস এফের বিতর্কিত নীতি শ্যুট অন সাইট তথা( দেখা মাত্র গুলি) বন্ধ করতে হবে। বিশ্ব নেতৃবৃন্দের সাথে কথা বলে এ ব্যাপারে তাদের হস্তক্ষেপ কামনা করার জন্য বাংলাদেশ সরকারের প্রতি আহবান জানান তিনি।










