জাতিসংঘ শিশু সংস্থার (ইউনিসেফ) দক্ষিণ এশিয়ার পরিচালক জর্জ লারিয়া আদজেই বলেছেন, অর্থনৈতিক সংকটের কারণে শ্রীলঙ্কার শিশুরা ক্ষুধার্ত অবস্থায় ঘুমাতে যায়।
দক্ষিণ এশিয়ার অন্যান্য দেশগুলোও একই ধরনের সংকটের দিকে যেতে পারে বলে সতর্ক করেছেন তিনি।
শুক্রবার (২৭ আগস্ট) সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।
জর্জ লারিয়া আদজেই বলেছেন, রান্নাঘরের প্রয়োজনীয় পণ্য সংগ্রহ অসাধ্য হয়ে পড়ায় পরিবারগুলো নিয়মিত খাদ্য গ্রহণ এড়িয়ে যাচ্ছে।
তিনি বলেন শিশুরা ক্ষুধার্ত অবস্থায় বিছানায় যাচ্ছে, তাদের পরবর্তী খাবার কোথা থেকে আসবে তা নিশ্চিত নয়।
এপ্রিল মাসে শ্রীলঙ্কা তার ৫১ বিলিয়ন বিদেশী ঋণ খেলাপি হয়েছে এবং বর্তমানে তা নিয়ে
আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের সাথে বেলআউট আলোচনা চলছে।
ইউক্রেনে রাশিয়ার আগ্রাসনের পরিপ্রেক্ষিতে জ্বালানির দামও বেড়েছে, এতে শ্রীলঙ্কার প্রতিবেশী দেশগুলোর অর্থনীতিও বিধ্বস্ত।
লারিয়া আদজেই বলেন, এ অঞ্চলের অন্যান্য দেশকে নিজেদেরই তাদের পুষ্টি সংকটের মোকাবেলা করতে হতে পারে।
দক্ষিণ এশিয়া জুড়ে তীব্র অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা এবং মুদ্রাস্ফীতির জন্য প্রস্তুত শিশুদের জীবনকে আরও হুমকির মুখে ফেলেছে।
তিনি বলেন, আমি শ্রীলঙ্কায় যা দেখেছি তা দক্ষিণ এশিয়ার অন্যান্য দেশের জন্য একটি সতর্কতা।
ইউনিসেফ শ্রীলঙ্কার শিশু জনসংখ্যার অন্তত অর্ধেকের জরুরি প্রয়োজন মেটানোর জন্য ২৫ মিলিয়ন ডলারের একটি আবেদন জারি করেছে।
সরকার এই মাসে শিশুদের মধ্যে অপুষ্টি ছড়িয়ে পড়া দ্রুত মোকাবেলায় আবেদন জারি করেছে।
২০২১ সালে সরকারী পরিসংখ্যান দেখা যায়, দেশব্যাপী ৫,৭০,০০০ প্রাক-স্কুল ছাত্রদের মধ্যে ১,২৭,০০০ জন অপুষ্টির শিকার।
সূত্র: বাসস










