spot_img

চরমোনাই পীরের পক্ষ থেকে বন্যার্তদের মাঝে হাদিয়া বিতরণ

দক্ষিণ সুনামগঞ্জের শান্তিগঞ্জ, বিশ্বম্ভরপুর, বাংলাবাজার, হরিনা পাটি ও গঙ্গারচর এলাকার বন্যায় বিপর্যস্ত মানুষের মাঝে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর আমীর ও চরমোনাই পীর মুফতী সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীমের পক্ষ থেকে হাদিয়া বিতরণ অব্যাহত রয়েছে।

গতকাল সোমবার (২৭ জুন) ও আজ মঙ্গলবার (২৮ জুন) এ সকল এলাকায় দলের সহকারি মহাসচিব মাওলানা ইমতিয়াজ আলমের নেতৃত্বে চরমোনাই পীরের পক্ষে হাদিয়া বিতরণ করা হয়।

নেতৃবৃন্দ ত্রাণ বিতরণের পাশাপাশি বানভাসি অসহায় মানুষের সাথে আজ দুপুরের আহারেও মিলিত হন। এতে অংশগ্রহণ করেন কেন্দ্রীয় সহ-প্রশিক্ষণ সম্পাদক মুফতি দেলাওয়ার হোসাইন সাকী, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা মাহমুদুল হাসান, ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন ৬৭নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর আলহাজ্ব মাওলানা ইব্রাহিম, দলের সিলেট জেলা সভাপতি মাওলানা সাঈদ আহমদ, সুনামগঞ্জ জেলা সভাপতি মাওলানা শহিদুল ইসলাম পলাশী, ছাত্রনেতা সাব্বির আহমাদ, ইউসুফ পিয়াস প্রমূখ।

দলের সহযোগি সংগঠন ইসলামী ছাত্র আন্দোলনের “দুর্যোগকালীন সহায়তা টিম-০২” সুনামগঞ্জ বিশ্বম্ভরপুর ও কিশোর গঞ্জ উপজেলার কর্চার হাওরের পাশ ঘেষে- ১.ফতেহপুর ইউনিয়ন : ফুলবড়ী, বিশ্বম্ভপুর,পিরোজপুর,গাইট্টা,বাহাদুরপুর, ২.দক্ষিণ ভাদাঘাট ইউনিয়ন : শ্রীধরপুর, ৩.পলাশ ইউনিয়ন : কৃষ্ণনগর, মেরুয়াখলা, সড়কপার, গাজিরগাও ও আলীপুর। এসব এলাকার পানিবন্দি মানুষের দ্বারে দ্বারে গিয়ে ধারাবাহিকভাবে “দুর্যোগকালীন উপহার” পৌঁছাতে সক্ষম হয়েছে। এতে নেতৃত্ব দিয়েছেন ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ- এর জয়েন্ট সেক্রেটারি জেনারেল ইউসুফ আহমাদ মানসুর, কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয় সম্পাদক মাহবুব হোসেন মানিক, সুনামগঞ্জ জেলা সভাপতি আয়ুবুর রহমান, জেলা সাধারণ সম্পাদক।

আজ ভারতের আসাম রাজ্যের মেঘালয় সীমান্তবর্তী এলাকা সুনামগঞ্জের বাংলাবাজার, হরিনা পাটি ও গঙ্গারচর ইউনিয়নে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর ত্রাণ বিতরণ করা হয়।

ত্রাণ বিতরণকালে নেতৃবৃন্দ বলেন, যেখানেই ত্রাণ নিয়ে যাওয়া হচ্ছে মানুষ হুমড়ি খেয়ে পরছে। বন্যার্ত অসহায় মানুষের আহাজারি আকাশ বাতাস ভারি হয়ে উঠছে। সরকারের ত্রাণের দেখা মিলছে না।

spot_img
spot_img
spot_img

সর্বশেষ