ব্যাপকভাবে বেড়েছে বাংলাদেশে তৈরি কেরু অ্যান্ড কোংয়ের মদের চাহিদা। এমতাবস্থায় মদের উৎপাদন বৃদ্ধিতে মনোযোগী হয়েছে কোম্পানিটি। ২০২০-২১ অর্থবছরে মদ থেকে ১৯৫ কোটি টাকা আয় করেছে মদ তৈরির এই কারখানাটি। গত কয়েক বছর ধরে মদ বিক্রি উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পেয়েছে বলেও জানিয়েছে “কেরু অ্যান্ড কোং” কর্তৃপক্ষ।
এ ব্যাপারে বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি বলেন, কেরুকে লাভজনক প্রতিষ্ঠান করতে হলে কেরু অ্যান্ড কোংয়ের মদ উৎপাদন ক্ষমতা আরও বাড়াতে হবে। উৎপাদন ক্ষমতা বাড়াতে দর্শনায় কেরুর দ্বিতীয় একটি ইউনিট হবে। কারণ কেরুর মদের পাশাপাশি ভিনেগার, হ্যান্ড স্যানিটাইজার ও জৈব দ্রাবকের মতো অন্যান্য পণ্যের চাহিদা রয়েছে।
বাণিজ্যমন্ত্রী আরও বলেন, আন্তার্জাতিক বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের দাম বাড়লে দেশের বাজারেও বাড়ে। তবে আমদানিনির্ভর দ্রব্য মানুষের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে রাখতে উপজেলা পর্যায়ে টিসিবি কার্যক্রম শুরু করা হবে। আশা করি, আগামী তিন মাসের মধ্যে টিসিবির চার-পাঁচশ ট্রাক নামানো হবে।
একই অনুষ্ঠানে শিল্পমন্ত্রী নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূন বলেছেন, দেশের কোনও চিনিকল স্থায়ীভাবে বন্ধ করা হয়নি। চিনিকল আধুনিকায়নের জন্য সাময়িকভাবে কারখানার কার্যক্রম বন্ধ রাখা হয়েছে। পুনরায় সব কারখানা চালু করা হবে। দেশের কোনও চিনিকল বন্ধ হবে না।










