ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যে সংখ্যালঘু মুসলিম সম্প্রদায়ের মসজিদে আগুণ, নারীর শ্লীলতাহানি ও বাড়ী-ঘর ও দোকান পাঠ ভাঙচুরের ঘটনায় কঠোর প্রতিবাদ জানিয়েছেন হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ-এর মহাসচিব আল্লামা নুরুল ইসলাম।
আজ (৩০ অক্টোবর) এক বিবৃতিতে হেফাজত মহাসচিব বলেন, ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যে উগ্রবাদী হিন্দু সন্ত্রাসীরা গত কয়েকদিন ধরে লাগাতার মুসলিমদের ওপর হামলা ও নির্যাতন চালিয়ে যাচ্ছে। তাদের হামলা থেকে রক্ষা পাচ্ছে না আল্লাহর ঘর পবিত্র মসজিদ সমূহও।
হিন্দু উগ্রবাদীরা গত কয়দিনে ১৬টি মসজিদে কমপক্ষে ২৭টি হামলা চালিয়েছে। ৩টি মসজিদে আগুণ দিয়েছে। এছাড়াও তারা মুসলিমদের বাড়ি ও দোকানে ভাঙচুর করেছে এবং মুসলিম নারীদের শ্লীলতাহানি করেছে।
কিন্তু এতো কিছুর হওয়ার পরেও উগ্র হিন্দুত্ববাদী দল বিজেপি শাসিত ত্রিপুরা রাজ্যের প্রশাসন নিষ্ক্রিয় রয়েছে। একের পর এক হামলার ঘটনার পরেও সংখ্যালঘু মুসলিমদের রক্ষায় চূড়ান্ত ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীগুলো।
হেফাজত মহাসচিব বলেন, বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের ওপর কোনোরকম ছোটখাটো হামলা হলেও ভারতের রাজনীতিবিদ থেকে শুরু করে সরকার পর্যন্ত উঠেপড়ে লাগে। কিন্তু নিজ দেশে সংখ্যালঘুদের ওপর এভাবে লাগাতার নির্যাতনের ঘটনা ঘটলেও এসব দমনে কোনো ভূমিকা রাখছে না।
তিনি বলেন, ভারত সরকারকে অবিলম্বে মুসলিমদের ওপর হিন্দু সন্ত্রাসীদের হামলার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। আল্লাহর ঘর মসজিদে আগুণ দেওয়ার ঘটনায় বিশ্ব মুসলিম চুপ থাকতে পারে না।
তিনি জাতিসংঘ ও ওআইসিসহ আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোকে ভারতের নির্যাতিত মুসলিম জনগোষ্ঠীর পক্ষে ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানান।











