ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যে হিন্দুত্ববাদী ভিইএইচপির তাণ্ডবে মুসলিম নারীর শ্লীলতাহানি, মুসলমানদের বাড়ী-ঘর ও দোকান পাঠ ভাঙচুর করা হয়েছে উল্লেখ করে এ ঘটনায় গভীর উদ্বেগ ও তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর আমীর এবং চরমোনাই পীর মুফতী সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীম।
তিনি বলেন, ত্রিপুরা রাজ্যে উগ্রবাদী হিন্দুদের হামলার লক্ষ্যবস্তু মুসলমান নারী-পুরুষ এবং মুসলমানদের বাড়ী-ঘর, দোকান-পাঠ। পানিসাগরের রাওবাজার এলাকার মুসলিমদের বাড়ি ও দোকানে ভাঙচুর চালানো হয়েছে। নারীর শ্লীলতাহানির করা হয়েছে। উগ্রবাদীদের আক্রমনে ১৬টি মসজিদে কমপক্ষে ২৭টি হামলা চালিয়ে ভিএইচপির লোকেরা। কয়েকটি মসজিদে জোর করে ভিএইচপির পতাকা পুঁতে দেওয়া হয়েছে। তিনটি মসজিদে আগুন ধরিয়ে দিয়েছে। উনাকটি জেলার পালবাজার মসজিদ, গোমতী জেলার ডোগরা মসজিদ এবং বিশালগড় জেলার নারোলা টিলা মসজিদে আগুন লাগানো হয়। এত কিছুর পরও ভারতের পুলিশ বলছে তেমন কিছুই হয়নি। বিশ্বহিন্দু পরিষদের দুষ্কৃতিকারীরা মসজিদগুলোতে হামলার ছক আঁটে বলে মিডিয়ার মাধ্যমে জানা যায়।
শনিবার (৩০ অক্টোবর) সংবাদমাধ্যমে প্রেরিত এক বিবৃতিতে তিনি এসব কথা বলেছেন।
চরমোনাই পীর বলেন, বাংলাদেশে পূজামণ্ডপে হামলার পর বাংলাদেশকে দখল করার হুমকিও দিচ্ছে উগ্রবাদী হিন্দুরা। কিন্তু ত্রিপুরা, আসাম, গেরুয়া রাজ্যে মুসলমানদের বাড়ী-ঘর, দোকান, মসজিদ ভেঙ্গে ফেলার পরও সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নিতে পারেনি ভারত সরকার। হিন্দুত্ববাদী দেশ ভারতের তথাকথিত ধর্মনিরপেক্ষতা কোথায়? বাংলাদেশে কোন ধরণের হামলার শিকার হলে বিশ্ব তোলপার হয়। মুসলমানরা নির্যাতনের শিকার হলে বিশ্ব মিডিয়া, বিশ্বনেতৃবৃন্দ কোন প্রতিবাদ পর্যন্ত করে না। তাহলে মুসলমান শূণ্য করাই কি তাদের টার্গেট? আজ ভারতের বিভিন্ন প্রদেশে মুসলমানরা শঙ্কিত, আতঙ্কিত ও নিরুপায়। এমতাবস্থায় ভারত সরকারকে মুসলমানদের উপর হামলাকারী উগ্রবাদী হিন্দু সন্ত্রাসীদের গ্রেফতার করে কঠোর বিচারের মুখোমুখি করতে হবে। সেইসাথে মুসলমানদের জানমাল এবং মসজিদগুলোকে রক্ষা করতে হবে। অন্যথায় বিশ্বব্যাপী প্রতিবাদের দাবানল জ্বলে উঠবে।












