ইসরাইলি নির্বাচনে কাতারের হস্তক্ষেপ এবং ভোটারদের প্রভাবিত করতে অর্থায়নের অভিযোগ দৃঢ়ভাবে প্রত্যাখ্যান করেছেন কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মাজেদ আল-আনসারি। তিনি বলেছেন, নিজেদের রাজনৈতিক ব্যর্থতা আড়াল করতে কিছু ইসরাইলি রাজনীতিক ও গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব কাতারকে ‘বলির পাঁঠা’ হিসেবে ব্যবহার করছেন।
বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) এক বিবৃতিতে আনসারি বলেন, “কাতার ইসরাইলি নির্বাচনে হস্তক্ষেপ করেছে অথবা নির্বাচনের ফলাফল প্রভাবিত করার উদ্দেশ্যে কোনো কার্যক্রমে অর্থায়ন করেছে, এমন অভিযোগ আমরা দ্ব্যর্থহীনভাবে প্রত্যাখ্যান করছি।”
তিনি এসব অভিযোগকে ‘হাস্যকর ও বিপজ্জনক’ আখ্যা দিয়ে বলেন, নিজেদের ব্যর্থতার দায় কাতারের ওপর চাপাতেই কিছু ইসরাইলি রাজনীতিক ও গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব এসব অভিযোগ তুলছেন।
কাতারের এই বক্তব্য আসে ইসরাইলের কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিটির চেয়ারম্যান নোয়াম সোলবার্গের নির্দেশের পর। তিনি ২৭ অক্টোবরের নির্বাচনে আরব দলগুলোর পক্ষে ‘শত্রুতাপূর্ণ বিদেশি হস্তক্ষেপের’ সন্দেহের বিষয়ে তদন্ত করতে শিন বেত নিরাপত্তা সংস্থাকে নির্দেশ দিয়েছেন।
নির্বাচনের ফলাফলে প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর নেতৃত্বাধীন জোট ১২০ সদস্যের নেসেটে ৫৩টি আসন পেয়েছে। গাদি আইজেনকোটের নেতৃত্বাধীন বিরোধী জোট পেয়েছে ৪৮টি আসন। আরব দলগুলো সম্মিলিতভাবে পেয়েছে ১৯টি আসন। ফলে সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় ৬১ আসনের সংখ্যাগরিষ্ঠতা কোনো পক্ষই অর্জন করতে পারেনি।
আনসারি বলেন, এই অচলাবস্থার পর যে সরকারই গঠিত হোক, তাকে আন্তর্জাতিক আইন ও জাতিসংঘের প্রস্তাবগুলোকে সম্মান করতে হবে। একই সঙ্গে ফিলিস্তিনি জনগণের আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার এবং ১৯৬৭ সালের সীমানা অনুযায়ী পূর্ব জেরুজালেমকে রাজধানী করে একটি স্বাধীন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার অধিকারকে সম্মান করতে হবে।
তিনি আরও বলেন, ইসরাইলি এসব অভিযোগ দোহাকে অঞ্চলজুড়ে তার মধ্যস্থতা, কূটনৈতিক ও মানবিক উদ্যোগ থেকে বিরত রাখতে পারবে না।
সূত্র : ইয়েনি শাফাক











