ভারত থেকে আমদানি করা চালের নমুনায় ক্যানসার সৃষ্টির ঝুঁকিসম্পন্ন বিষাক্ত উপাদান আফলাটক্সিন শনাক্ত হয়েছে। এর পর অবশিষ্ট ৯ হাজার ৫০০ টন চালের বিতরণ সাময়িকভাবে স্থগিত করেছে খাদ্য অধিদপ্তর।
শনিবার (৩১ অক্টোবর) প্রকাশিত প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা গেছে। বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের (ব্রি) প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. কাজী শিরীন আক্তার জাহান জানান, দীর্ঘদিন সংরক্ষণ করা হলে চালে আফলাটক্সিন তৈরি হতে পারে। তবে পরীক্ষায় পাওয়া মাত্রা সহনীয় সীমার মধ্যে রয়েছে। নির্ধারিত সীমা ছাড়িয়ে গেলে এটি স্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।
গত ১৭ আগস্ট চট্টগ্রামের হালিশহর ও দেওয়ানহাট সিএসডি থেকে চালের নমুনা সংগ্রহ করে ব্রির তিন সদস্যের দল। পরীক্ষায় হালিশহর ও ঢাকার একটি সরকারি গুদামে থাকা চালের নমুনায় আফলাটক্সিন পাওয়া যায়। এরপর ৯ হাজার ৫০০ টন চালের বিতরণ বন্ধ রাখা হয়।
৫০ হাজার টন চাল আমদানির চুক্তির আওতায় সিঙ্গাপুরভিত্তিক প্রতিষ্ঠান অ্যাগ্রোকর্প ইন্টারন্যাশনাল চাল সরবরাহ করে। প্রতিষ্ঠানটি আফলাটক্সিন শনাক্ত হওয়ার দাবি প্রত্যাখ্যান করে বলেছে, তাদের যৌথভাবে সংগ্রহ করা নমুনা ভারত ও ব্রিতে পরীক্ষা করা হলেও সেখানে আফলাটক্সিন পাওয়া যায়নি।
সরবরাহকারীর শিপিং এজেন্ট সেভেন সিজ শিপিং লাইনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আলী আকবরও দাবি করেছেন, একটি স্বার্থান্বেষী মহল সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানের সুনাম ক্ষুণ্ন করার চেষ্টা করছে।
চালের নমুনায় আফলাটক্সিনের সুনির্দিষ্ট মাত্রা এবং পরবর্তী করণীয় এখনো প্রকাশ করেনি খাদ্য অধিদপ্তর।











