সুন্দরবন বাঘ সংরক্ষণ প্রকল্প পরিচালক ও সুন্দরবন পশ্চিম বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা ড. আবু নাসের মোহসিন হোসেন বলেছেন, গত (১৫ ডিসেম্বর) সুন্দরবন বাঘ সংরক্ষণ প্রকল্প-এর আওতায় সাতক্ষীরা রেঞ্জে বনের মধ্যে বাঘের গতিবিধি ও পায়ের ছাপ লক্ষ্য করার কাজ করা হয়েছে। (১ জানুয়ারি) থেকে তৃতীয়বারের মতো ক্যামেরা ট্র্যাপিংয়ের মাধ্যমে বাঘ জরিপ করতে যাচ্ছি। এর আগে ২০১৫ এবং ২০১৮ সালে ক্যামেরার মাধ্যমে বাঘ জরিপ করা হয়েছিল। গত দুইবার খুলনা রেঞ্জ, সাতক্ষীরা রেঞ্জ এবং শরণখোলা রেঞ্জ জরিপ এলাকার আওতাভুক্ত ছিল। এবার আমরা চাঁদপাই রেঞ্জকেও অর্ন্তভুক্ত করতে যাচ্ছি। ফলে সুন্দরবনের চারটি রেঞ্জই ক্যামেরা ট্র্যাপিংয়ের আওতায় থাকবে।
শনিবার (৩১ ডিসেম্বর) খুলনা ফরেস্ট ঘাটে ক্যামেরা ট্র্যাপিং বিষয়ক প্রশিক্ষণে এসব কথাআ বলেন তিনি।
আবু নাসের মোহসিন হোসেন বলেন, সুন্দরবন অনেক বড় এলাকা। এক বছরের মধ্যে ক্যামেরা ট্র্যাপিং-এর মাধ্যমে এই কাজ করা সম্ভব না। আমাদের যে ৪৫০টি ক্যামেরা রয়েছে সেগুলো দিয়ে মার্চের মধ্যে জরিপ কাজ শেষ করা সম্ভব নয়। শুষ্ক মৌসুমে ক্যামেরাগুলো বসাতে হয়। বর্ষা মৌসুমে এই কাজগুলো করতে পারব না। আগামী মার্চ-এপ্রিল মাস পর্যন্ত খুলনা রেঞ্জ এবং সাতক্ষীরা রেঞ্জে ক্যামেরা ট্র্যাপিংয়ের কাজ করব। আর নভেম্বর-ডিসেম্বরে চাঁদপাই রেঞ্জ এবং শরণখোলা রেঞ্জে কাজ করব।
তিনি জানান, সব মিলিয়ে ৬৬৫টি গ্রিডে জোড়া ক্যামেরা বসানো হবে। এর মধ্যে সাতক্ষীরা রেঞ্জে ২০০টি, খুলনা রেঞ্জে ১৪০টি, শরণখোলা রেঞ্জে ১৮০টি, চাঁদপাই রেঞ্জে ১৪৫টি। প্রতিটি গ্রিডে এক জোড়া ক্যামেরা বসানো হবে। প্রতি গ্রিডে ৪০ দিন ক্যামেরা থাকবে। প্রতি ১৫ দিন অন্তর ক্যামেরার ব্যাটারি ও এসডি কার্ড পরিবর্তন করতে হবে।
জানা গেছে, এবারই প্রথম বাঘের পাশাপাশি হরিণ ও শূকর গণনা করা হবে। এজন্য সুন্দরবনের ৬৬৫ স্পটে স্থাপন করা হচ্ছে জোড়া ক্যামেরা। বাঘ গণনার ফলাফল জানা যাবে ২০২৪ সালের জুন-জুলাইয়ে।











