কওমী-জগৎ ও আগামী নির্বাচন
কওমী-জগৎ ও আগামী নির্বাচন

কওমী-জগৎ ও আগামী নির্বাচন

মুহাম্মাদ গোলাম রব্বানী ইসলামাবাদী | গবেষক ও রাষ্ট্রচিন্তক


এক সময় কওমী-জগৎ রাষ্ট্র-চিন্তার বিষয় ছিলো না। মানুষ ভাবতো: উনারা এক ভিনগ্রহের বাসিন্দা–বড় ‘নিরীহ’ এ সমাজটি চলন্ত সমাজ থেকে অনেক-অনেক দূরে। দোয়া প্রার্থী মানুষকে দোয়ার বানে ভাসানো, জানাযা-দাফন-কাফন ইত্যাদি ধর্মীয় কাজগুলো খোদাওন্দ উনাদের ভাগে ঠেলে দিয়েছেন। মসজিদ-মক্তব নিয়েই তাঁদের সীরাত-সূরাত। আমাদের বাংলাদেশটায় এ ধরনের চিন্তা-চেতনা বড়ো থেকে বড়ো হয়েছে প্রচণ্ড উর্বরতায়।

বিভিন্ন ক্রান্তিকালে দেশের ছিটেফোঁটা কোন আন্দোলনে কওমী-জগতের ক্রন্দনধ্বনি আর বজ্রধ্বনি শোনা গেলেও বেহুঁশ মানুষ হুঁশ হবার আগেই হারিয়ে যেতো আলোচ্য জগতের পদধ্বনি। পাকিস্তান আমলে নেজামে ইসলাম পার্টির তৎপরতায় ইসলামী আন্দোলনের ঝড়-তুফান বয়ে গেছে ঠিকই, কিন্তু বাংলাদেশ আমলে ধর্মনিরপেক্ষতার তাণ্ডবে সকল তৎপরতা কবরস্থানে গিয়ে আশ্রয় নেয়। সত্তরের দশকের শেষপ্রান্তে এসে আমীরে শরীয়ত হযরত হাফেজ্জী হুযুর রহ. খেলাফত আন্দোলনের গোড়াপত্তন করলে প্রথমবারের মতো কওমী-জগতের ধারাবাহিক তৎপরতা ‘ভিনজগতের বাসিন্দা’র তকমা ছেড়ে বেরিয়ে আসে। এরপর শুরু রাষ্ট্র-চিন্তাতে কওমী-জগতের ভাগ বসানোর পালা। এখন রাষ্ট্রচিন্তার অবিচ্ছেদ্য অংশ: কওমী-জগৎ। মসজিদ-মক্তব, দাফন-কাফনের জিম্মাদারির পাশাপাশি তাঁরা কদম রেখেছেন রাজনীতির বন্ধুর ময়দানে।

নির্বাচনে কওমী-জগতের পদচারণা পাকিস্তান আমল থেকে শুরু। হারুক-জিতুক, কওমী-আলিমসমাজ জানান দিয়েছেন–তাঁদের বর্শির সুতো অনেক দূর পর্যন্ত যেতে সক্ষম। এরশাদ আমলের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে বীর হাফেজ্জীর ভোট প্রাপ্তির উচ্চহার খোদ প্রশাসনকেই চমকে দিয়েছিলো ঘুম হারাম করে। ২০১৩ সালের শেষের দিকে চারটি সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে আওয়ামী প্রার্থীদের শোচনীয় ভরাডুবির পেছনে দায়ী করা হয় কওমী-জগতের নিখুঁত ভোট-নিয়ন্ত্রণের বিস্ময়কর ক্ষমতাকে। তখন থেকেই প্রশাসনে একটি সতর্কীকরণ ফাইল খোলা হয় কওমী-জগতের নামে।

এ বছরের শেষে অথবা আসছে ২০১৯ সালের গোড়াতে হয়তো হতে পারে আরেকটি জাতীয় নির্বাচন। অনেকেরই প্রশ্ন–কারা পাবে কওমী-জগতের দেড় কোটি (কম-বেশি) ভোটের মজাদার ভাগ? কেউ-কেউ বলছেন, স্বীকৃতির জোরে এবার কওমী ভোট-ব্যাংকের মালিক হতে যাচ্ছে আওয়ামী লীগ। কেউ আবার বলছেন ভিন্নকথা। আসলেই কি আসন্ন নির্বাচনে আওয়ামী লীগ করায়ত্ব করতে চলেছে কওমী ভোট-ভাণ্ডার?

কওমী-অঙ্গন নিয়ে একতরফা মন্তব্য করা কখনও দূরদর্শীতা নয়। আমাদের মাঝে এমনও আছেন, যারা ত্রিশ-চল্লিশ বছর সংসার করার পরও নারী-বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে থাকেন অজ্ঞ বা অনভিজ্ঞ। ঠিক তেমনি এমনও আছেন: যুগের পর যুগ কওমী-অঙ্গনে জীবন কাটিয়েও কওমী-অঙ্গনের বৈশিষ্ট্য-চরিত্র সম্পর্কে থাকেন অজ্ঞাত। তাই, আগামী নির্বাচনে কওমী-জগতের ভোটের গতি-প্রকৃতি নির্ধারণ একটি জটিল বিষয়। নিজস্ব কোন মতামত দেয়ার আগে আমাদের পরিবেশ কী মন্তব্য করছে–তা এখানে একটু জেনে নেয়া যেতে পারে। ভারতভিত্তিক সুপরিচিত নিউজ-সাইট South Asian Monior তাদের ৮ই অক্টোবর ‘১৮ সংখ্যায় আসন্ন নির্বাচনে কওমী-ভোট ও হেফাজতে ইসলামের সাথে আওয়ামী লীগ সরকারের সম্পর্ক নিয়ে ‘Disquiet and anger in Awami League as party’s alliance with fundamentalist Hefazat-e-Islam deepens’ শীর্ষক একটি নিবন্ধ ছেপেছে। এর অর্থ হলো: মৌলবাদী হেফাজতে ইসলামের সাথে আওয়ামী লীগের ঘনিষ্ঠতা বাড়ছে: দলে অস্থিরতা ও ক্ষোভ। নিবন্ধটি লিখেছেন চন্দন নন্দী। নিবন্ধের শেষের দিকে Observer Research Foundation(ORF) -এর সিনিয়র ফেলো পিনাক রঞ্জন চক্রবর্তীর একটি মন্তব্য তুলে ধরা হয়েছে যেখানে তাকে প্রশ্ন করা হয়: আওয়ামী লীগ-হেফাজত সম্পর্ক আগামী নির্বাচনে কেমন প্রভাব ফেলবে? উত্তরে মি. চক্রবর্তী বলেন– “Yes, the Awami League will get some votes” অর্থাৎ, আওয়ামী লীগ (হেফাজতের) কিছু ভোট পাবে। উল্লেখ্য, মি.চক্রবর্তী বাংলাদেশে ২০০৭-২০০৯ সাল পর্যন্ত ভারতের হাইকমিশনার হিসেবে কর্মরত ছিলেন। হাইকমিশনার থাকাকালীন সময়ে পিনাক রঞ্জন বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতি নিয়ে যথেষ্ট আগ্রহী ছিলেন। তাহলে, আমরা একটা ধারণা পেলাম যে, কওমী-জগতের ভোট পাবার বিষয়ে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন জোটের ‘কিছু’ আশা বা নিশ্চয়তা আছে। কিন্তু কেন পুরোটা নয়?–এ প্রশ্ন এখানে তাৎপর্যপূর্ণ। SAM সেদিনের নিবন্ধে বলছে–While there is disquiet within the Awami League, Hefazat too is faced with dissension within, according to newspaper reports. A Chittagong datelined story of October 7 revealed that the growing “coziness” between the ruling party and the Hefazat recently caused friction among the top leadership of the Islamist outfit, leading to the resignation of top quamialem and Naib-e-Amir Alamma Mahibullah Babunagari. Following Babunagari’s resignation, the reports indicate, several of his supporters are prepared to follow suit. Babunagari quit the outfit in a huff over Hefazat-e-Islam’s public felicitation of Prime Minister Sheikh Hasina. After resigning, Babunagari told reporters: “Hefazat-e-Islami is no longer following the tenets and objectives for which it was created. The organisation has lost its basic character and is behaving more like a political outfit.”

(অর্থাৎ, সংবাদপত্রের রিপোর্ট অনুযায়ী, আওয়ামী লীগের ভেতরে যেমন একদিকে অস্থিরতা, হেফাজতের ভেতরেও তেমন ভিন্নমত রয়েছে। চট্টগ্রাম নিয়ে ৭ অক্টোবর প্রকাশিত এক রিপোর্টে বলা হয়েছে যে, ক্ষমতাসীন দল এবং হেফাজতের মধ্যে দহরম মহরম বেড়ে যাওয়ায় ইসলামী এই সংগঠনটির শীর্ষ নেতৃত্বের মধ্যে বিভাজন দেখা দিয়েছে। এই বিভেদের কারণে শীর্ষ কওমী আলেম এবং সংগঠনের নায়েবে আমীর আল্লামা মহীবুল্লাহ বাবুনগরী পদত্যাগ করেছেন। রিপোর্টে ইঙ্গিত দেয়া হয়েছে যে, বাবুনগরীর পদত্যাগের পর তার কিছু অনুসারী মামলা করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। হেফাজতে ইসলাম প্রকাশ্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে তোষণ করায় দলে যে বিভেদের সৃষ্টি হয়, সে কারণেই বাবুনগরী সংগঠন ছেড়ে যান। পদত্যাগের পর বাবুনগরী সাংবাদিকদের বলেন: “যে উদ্দেশ্য নিয়ে হেফাজতে ইসলাম গঠিত হয়েছিল, সেটা এখন আর মানা হচ্ছে না। সংগঠন তার মৌলিক চরিত্র হারিয়ে ফেলেছে এবং এখন অনেকটাই রাজনৈতিক দলের মতো আচরণ করছে”।)

এবার আসুন আমাদের কথায়। কওমী-জগৎ থেকে একটি ক্ষুদ্র অংশ যারা সরকারের সাথে সম্পর্ক রেখে চলেছেন, বলছেন: স্বীকৃতির কারণে বর্তমান সরকার কওমী ভোট-ব্যাংকে বড়োসড়ো ভাগ বসাতে সক্ষম হবে, তারা কওমী-জগতেও সরকারের পক্ষে প্রচারণা চালাচ্ছেন কখনও প্রকাশ্যে, কখনও কৌশলে। অন্যদিকে কওমী-জগতের তৃণমূলে কী ঘটছে তার তল্লাশি না করে মন্তব্য করা সমীচীন হবে বলে মনে করি না। এ বিষয়ে কিছু বলার আগে কওমী-জগতের দু’টো মৌলিক বিষয়ের সন্ধান নেয়া অনিবার্য। একটি হলো, ঐতিহ্য (تقليد: نقله الخلف عن السلف এবং আরেকটি হলো, চেতনা(الاحساس: شعور يستولي علي الشخص)। এরপরে দেখতে হবে কওমী-জগতের সমকালীন সমস্যার বিষয়।

প্রথমে ঐতিহ্যের কথায় আসা যাক। যেহেতু ঐতিহ্যের সাথে ইতিহাসের একটা অনিবার্য সম্পর্ক বিদ্যমান, সে বিবেচনায় ঐতিহাসিক আলোচনার দীর্ঘসূত্রিতার কারণে প্রবন্ধের অবয়ব প্রলম্বিত হবে বিধায় এখানে তা টেনে আনলাম না। তবে যেটুকু না বললে ভাব বোধগম্য হবে না–তা উল্লেখ করছি। ‘ঐতিহ্য’ বলতে দু’টো শর্ত পূরণীয়। এক, ঐতিহ্যের থাকতে হবে দীর্ঘ অতীতের পর্যায়ক্রমিক ধারা ( Since long past) এবং দুই, প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে ( Exercise from genaration to Genaration) চর্চা বা অনুশীলনের বাস্তবতা। আর ‘চেতনা’ আসে বিশ্বাসের বিশ্বস্ত অনুভবের মাধ্যমে। দারুল উলূম দেওবন্দের ইতিহাস পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, বিশ্বাসের স্বতন্ত্রতা, স্বতন্ত্রতানির্ভর শিক্ষা, স্বতন্ত্রতা রক্ষায় সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকার, ন্যায়ের পক্ষে ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে আপোষহীন সংগ্রাম কওমী-জগতের অনস্বীকার্য ঐতিহ্যকে স্মরণ করিয়ে দেয়। সেই ঐতিহ্যের পূর্ণস্ফুরণ ঘটে তাঁদের চিন্তা-চেতনায়। মূলত প্রতিটি কওমী-মাদরাসার প্রতিটি সন্তানই কওমী ঐতিহ্য ও চেতনার ধারক আর বিনিদ্র সৈনিক। যারা সেই চেতনা বহন করেন না, তারা কওমী-মাদরাসায় শত বছর পড়েও কওমী হতে পারেন না ( قال يا نوح إنه ليس من أهلك إنه عمل غير صالح….. : سورة هود)। এ হিসাবে, কুরআন, সুন্নাহ ও আসহাবে রসূল সা.-এর শিক্ষা এবং আদর্শনির্ভর দারসে নিযামীর পাঠ্যক্রম সহযোগে রাষ্ট্রশক্তির সাথে কোন প্রকার সম্পর্ক রাখা বা রাষ্ট্রশক্তির সাহায্য-সহযোগিতা গ্রহণ ব্যতিরেকে নিজেদের স্বকীয়তা রক্ষার আপোষহীন সংগ্রামের চেতনাই কওমী-জগতের চেতনা বলে স্বীকৃত ।

এবার আসছি, কওমী-জগতের সমকালীন সমস্যা নিয়ে। নির্বাচন কওমী-জগতের সমস্যা নয়। কওমী-জগতের সমকালীন সমস্যা ভিন্ন জায়গায়। মূলত, ২০১৬ সালের ১৩ ই আগস্ট সরকার-প্রধান শেখ হাসিনার দেয়া কওমী-সনদকে মাস্টার্স সমমান করে স্বীকৃতির ঘোষণা থেকে শুরু কওমী-জগতের ভেতরে-বাইরের অস্থিরতা। এরপর থেকে স্বীকৃতিপ্রশ্নে বিভক্তচিন্তার কবলে পড়ে তারা। একটি বিশেষ-পক্ষ সরকারের তরফে অত্যুৎসাহী হয়ে তড়িঘড়ি করে স্বীকৃতি গ্রহণে তৎপর হয়ে ওঠে এবং অনভিজ্ঞ কওমী তরুণ আলিম-ছাত্রদের মাঝে স্বীকৃতির পক্ষে মতামত সৃষ্টি করতে নানাবিধ তদবিরে লিপ্ত হয়। এতে কওমী-জগতে এক ধরনের অস্থিরতা দেখা দেয়। ২০১৭ সালের ১১ ই এপ্রিল গণভবনে আল্লামা আহমদ শফী সাহেবসহ দেশের আলিম নেতৃবৃন্দের উপস্থিতিতে কওমী-সনদের স্বীকৃতির আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেয়া হয়। এরপর শুরু হয় বিভিন্ন উৎকণ্ঠা আর শঙ্কার দোলাচল। শেষ পর্যন্ত স্বীকৃতির বিষয়টি আইনে পরিণত হয় বর্তমান (২০১৮) বছরের ৭ই অক্টোবর রাষ্ট্রপতি জনাব আব্দুল হামিদের স্বাক্ষরের পর। এবার স্বীকৃতিকে কেন্দ্র করে শুরু হলো প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন ও ঢাকায় আনুষ্ঠানিক সংবর্ধনা দেয়ার আয়োজন। কওমী-জগতের তৃণমূলে অভিনন্দন জানানোকে সহ্য করা হলেও সংবর্ধনা দেয়া নিয়ে জেগে ওঠে চরম অসন্তোষ, এখনও যা বিদ্যমান। অভিযোগ ওঠে, একটি বিশেষ গোষ্ঠী সরকারের মদদে স্বীকৃতি দানের বিষয়কে নৈর্বাচনিক স্বার্থের সাথে জড়িয়ে সংবর্ধনার আয়োজন করতে সচেষ্ট। আমরা স্পষ্ট দেখতে পাচ্ছি, এতে সরকারের লাভের চেয়ে ক্ষতিই হবে বেশি। কারণ, কওমী আলিম ও ছাত্র সমাজ যেহেতু সংবর্ধনার পক্ষে নয়, তাই সংবর্ধনা দেয়া হলে বাড়তি ক্ষোভটা গিয়ে আঘাত করবে সরকারকেই। কওমী-জগৎ ভাববে, সরকারের অহেতুক চাপেই এই সংবর্ধনা। তৃণমূলে কথা বলে দেখা গেছে, এ ধরনের সংবর্ধনাকে প্রায় সবাই কওমী-চেতনার সুস্পষ্ট লঙ্ঘন মনে করছেন। তা’ছাড়া, শাপলার ঘটনা, হেফাজতে ইসলামের হাজার-হাজার কর্মীর বিরুদ্ধে সত্তরের কাছাকাছি দায়েরকৃত অপ্রত্যাহৃত মামলা, হেফাজতের তের দফা দাবি ও আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরীর পাসপোর্ট ফেরৎ না দেয়ার বিষয় আজও যে ঝুলে আছে, তা কওমী আলিম-ছাত্রদের বুকে অনারোগ্য ক্ষত হয়ে আছে। এ গুলোই কওমী-জগতের সমসাময়িক মূল সমস্যা। ফলশ্রুতিতে, সরকারের উপর ক্ষোভ এখন চরম-পর্যায়ে। এমন পরিস্থিতিতে কওমী-জগৎ তাদের সব ক্ষোভের প্রকাশ ঘটাতে পারে আসন্ন নির্বাচনে, যা ক্ষমতাসীনদের জন্য বুমেরাং হয়ে দেখা দেয়ার সম্ভাবনা খুবই বেশি। যারা সরকারকে আসল বিষয় গোপন করে ভুলপথে প্রভাবিত করছেন, সরকারের উচিৎ তাদের বিষয়ে সতর্ক হওয়া।

সরকার যদি প্রকৃতই আন্তরিক হয়ে লৌকিক সংবর্ধনা এড়িয়ে কওমী-জগতের সমসাময়িক মূল সমস্যাগুলোকে সমাধান করে বিশ্বাস অর্জন করতে পারে তবে বলা যায় কওমী ভোট-ব্যাংকের বেশ কিছু মজা তারা আস্বাধন করতে সক্ষম হতে পারবে। এ বিষয়টি সরকার যতো তাড়াতাড়ি উপলব্ধি করতে সক্ষম হবে ততোই লভ্যাংশ বৃদ্ধি পাবে।


এ বিভাগে প্রকাশিত মতামত লেখকের নিজস্ব। ইনসাফ টোয়েন্টিফোর ডটকম এবং ইনসাফ টোয়েন্টিফোর ডটকম-এর সম্পাদকীয় নীতির সঙ্গে প্রকাশিত মতামত সামঞ্জস্যপূর্ণ নাও হতে পারে