লবণ অধ্যুষিত মোংলা বন্দরের উপকুলীয় এলাকায় বৃষ্টি নেই, চলছে প্রচণ্ড তাপদাহ, শুকিয়ে গেছে ডোবা ও পুকুরের পানি। প্রায় দুই থেকে আড়াই লক্ষাধিক মানুষের সুপেয় মিষ্টি পানির একমাত্র স্থান পৌরসভার পানির প্রকল্প দুটি পুকুর, আর সেই প্রকল্পের পানি সরবরাহ বন্ধ রয়েছে বেশ কয়েকদিন ধরে। এমন অবস্থায় আল্লাহ’র দরবারে বৃষ্টির প্রত্যাশায় সালাতুল ইসতিসকার নামাজ আদায় করেছেন এ এলাকার মানুষ। নামাজ আদায়ের ৩ ঘণ্টা পরই আল্লাহর রহমতের বৃষ্টিও শুরু হয়েছে মোংলায়।
বুধবার (১৫ জুন) সকাল ৮টায় পৌর জাতীয় ঈদগাহ মাঠে এ নামাজ আদায় করেন উপজেলার ২৬৭টি মসজিদের ইমামসহ প্রায় অর্ধ লক্ষাধিক ধর্মপ্রাণ মানুষ।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপকুলীয় গ্রামীণ জনপদের পুকুর ও ডোবায় পানির স্থর নেমে যাওয়ায় দেখা দিয়েছে মারাত্মক পানি সংকট। এ ছাড়াও কোথাও কোথাও নলকূপের পানির স্তর নিচে নেমে যাওয়ায় বিশুদ্ধ পানি উত্তোলন করা যাচ্ছে না। জ্যৈষ্ঠ পেরিয়ে আষাঢ়ে পা দিলেও নেই বৃষ্টির দেখা। তাই মানুষ হাহাকার করছে খাবার পানির জন্য।
বৃষ্টি না হওয়ার কারণে নষ্ট হচ্ছে খেতের ফসল, দেখা দিয়েছে পানির তীব্র সংকট। মোংলায় সুপেয় পানির জন্য একমাত্র পানির প্রকল্পের পুকুর দুটিও শুকিয়ে চৌচির। তাই এ অনাবৃষ্টি থেকে রা পেতে ও রহমতের বৃষ্টির জন্য পৌর কর্তৃপক্ষ ও উপজেলা ইমাম পরিষদের আয়োজনে বিশেষ (সালাতুল ইসতিসকার) নামাজ আদায় করেন মোংলা উপজেলাবাসী।











