মঙ্গলবার | ৩ ফেব্রুয়ারি | ২০২৬
spot_img

আজ আরাফা দিবস: হজ্বের মূল আনুষ্ঠানিকতা

আজ ৯ জিলহজ্ব। ফজরের পর হাজ্বীগণ মিনা থেকে আরাফার ময়দানে আসবেন। আরাফায় হজ্বের খুতবা প্রদান করা হবে এরপর এখানে জোহর এবং আসরের নামাজ একসাথে কসর আদায় করে সুর্যাস্ত পর্যন্ত অবস্থান করতে হবে। আরাফার ময়দানে অবস্থান তথা উ’কুফে আরাফা হজ্বের একটি ফরজ আমল। তবে দুপুরে সূর্য পশ্চিম দিকে হেলে যাওয়ার পর থেকে সুর্যাস্ত পর্যন্ত আরাফার ময়দানে অবস্থান করা ওয়াজিব। কেউ যদি সূর্যাস্তের পূর্বে আরাফার সীমা অতিক্রম (ত্যাগ) করে তাহলে তাকে অবশ্যই দম দিতে হবে। সুতরাং মাগরিবের আজান শুনেই হাজ্বীগণ মুজদালিফার উদ্দেশ্যে রওয়ানা করবেন এবং মুজদালিফায় পৌঁছে মাগরিব ও এশার নামাজ একসাথে আলাদা করে বিশ্রাম নিবেন।

আরাফার ময়দানের বৈশিষ্ট্য: এখানেই হাশরের ময়দানের বিচারকার্য অনুষ্ঠিত হবে। যেখানে সমগ্র মানবজাতি বিচারের অপেক্ষায় একত্রিত হবে।

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আরাফার ময়দানে দাঁড়িয়ে ঐতিহাসিক বিদায় হজ্বের ভাষণ দিয়েছিলেন।
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “হজ্বের মূল হলো আরাফা।”

হযরত আয়েশা রাযি. থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘‘আরাফা ব্যাতীত অন্য কোনো দিন এমন নেই, যেদিন আল্লাহ তাঁর অধিক বান্দাকে জাহান্নামের আগুন থেকে রক্ষা করেন এবং তিনি খুব সন্নিকটে এসে ফেরেশতাদের সামনে আপন বান্দাদের নিয়ে গর্ব করে বলেন-তারা আমার কাছে কী চায়?”

আরাফার দিনের রোজা, পূর্বের এক বছরের ও পরের এক বছরের গুনাহের কাফফারা হয়ে যায়। তবে এ রোজা হাজ্বীদের জন্য নয়, বরং যারা হজ্ব করতে আসেননি, তাদের জন্য। হাজ্বীদের জন্য আরাফার দিনে রোজা রাখা মাকরূহ।

spot_img
spot_img
spot_img
spot_img

সর্বশেষ