spot_img

দেশকে চলমান সঙ্কট থেকে রক্ষায় গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের বিকল্প নেই : চরমোনাই পীর

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর আমীর মুফতী রেজাউল করীম বলেছেন, সরকারের বিগত দিনের সীমাহীন লুটপাট, দুর্নীতি, অর্থপাচারের কারণে দেশ আজ এক ভয়াবহ অর্থনৈতিক সঙ্কটের সম্মুখীন। বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ প্রতিনিয়ত আশংকাজনকভাবে কমছে। ফলে প্রয়োজনীয় পণ্য আমদানির জন্য ঋণপত্র খুলতে নিয়ন্ত্রণ আরোপ করা হয়েছে। নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের দাম সাধারণ ক্রয় ক্ষমতার বাহিরে। আজ অভাবের কারণে মানুষ হাহাকার করছে। মানুষ আজ দিশেহারা। দেশ আমলাতান্ত্রিক জটিলতায় ভুগছে।

আজ (২০ জুলাই) বিকেলে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ নারায়ণগঞ্জ জেলার ফতুল্লা থানা শাখা আয়োজিত নবাগত সদস্য সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, চলমান সঙ্কট থেকে দেশবাসি বাঁচাতে একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের বিকল্প নেই। আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন দলীয় সরকারের অধীনে নয়, নির্বাচনকালীন জাতীয় সরকারের অধীনে হতে হবে।

চরমোনাই পীর বলেন, দেশ ভয়াবহ সঙ্কটের দিকে। তিনি বিদ্যুৎখাতের সকল অনিয়ম, দুর্নীতি ও চুরি বন্ধের আহ্বান জানিয়ে বলেন, এগুলো বন্ধ করতে পারলে দেশবাসীকে ভয়াবহ লোডশেডিংয়ের দুর্ভোগ পোহাতে হবে না। তিনি বলেন, সাধারণ জনগণের চেয়ে সরকারী অফিস আদালতে বিদ্যুত ব্যবহারে মিতব্যয়ী হওয়ার আহ্বান জানান।

দলের ফতুল্লা থানা সভাপতি এ্যাডভোকেট মুহাম্মদ শফিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে এবং সেক্রেটারী মুহাম্মদ আমান উল্লাহ’র সঞ্চালনায় পঞ্চবটি আকবর কনভেনশন সেন্টারে অনুষ্ঠিতএ সম্মেলনে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন দলের যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা গাজী আতাউর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক কে এম আতিকুর রহমান। সম্মেলনে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য সংগঠনের ফতুল্লা থানা সহ-সভাপতি মোহাম্মদ ওমর ফারুক, জাহাঙ্গীর কবির, জয়েন্ট সেক্রেটারি মুহাম্মদ শাহজাহান বেপারী, মাওলানা মামুনুর রশীদ, মাসুদর রহমান, আব্দুর রশীদ, আজিম উদ্দীন, শ্রমিক আন্দোলন, যুব আন্দোলন, ছাত্র আন্দোলন, শিক্ষক ফোরাম, ওলামা মাশায়েখ আইম্মা পরিষদসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে মাওলানা গাজী আতাউর রহমান বলেন, স্বাস্থ্যখাতে ভয়াবহ দুর্নীতির চিত্র দেশবাসী দেখেছে। ঔষধের দাম আজ প্রায় দ্বিগুণ। সবকিছুর সাথে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে জিনিসপত্রের দাম। এমতাবস্থায় সাধারণ মানুষ তাদের নিত্যদিনের ব্যয়ভার নির্বাহ করতে হিমশিম খাচ্ছে। তার উপর তেল-গ্যাস, পানি ও বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধি। জনগণ দিশেহারা। তিনি বাজার কঠোরহস্তে বাজার নিয়ন্ত্রণের দাবি জানান।

spot_img
spot_img
spot_img

সর্বশেষ