মানিকগঞ্জে পুলিশ-বিএনপির সংঘর্ষের ঘটনায় ৩৩ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতপরিচিত দুই হাজার ৫০০ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেছে পুলিশ।
বৃহস্পতিবার (২ সেপ্টেম্বর) রাতে মানিকগঞ্জ সদর থানার উপ-পরিদর্শক মো. আব্দুল লিটন এ মামলা করেন।
মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, আসামিরা জেলা শহরের সেওতা এলাকার শহীদ তজু সড়কে যান চলাচল বন্ধ রেখে সরকার ও রাষ্ট্রবিরোধী স্লোগান দিতে থাকে। রাস্তা বন্ধ না করে যান চলাচল স্বাভাবিক রাখার অনুরোধ করলেও তারা রাস্তার ওপর অবস্থান নেন। এক পর্যায়ে তারা পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কিতে লিপ্ত হয়। পুলিশের পক্ষ থেকে বাঁশি বাজিয়ে তাদের ওপর মৃদু লাঠিচার্জ করা হয়। এরপর আসামিরা পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করলে সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুর রউফ সরকার ও কনস্টেবল শাহীনসহ ৭ পুলিশ সদস্য আহত হন। তারা ২টি মোটরসাইকেল ভাঙচুরসহ ব্যাপক ক্ষতি করেন।
মামলার বিষয়ে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন জেলা বিএনপির সভাপতি আফরোজা খান। তিনি বলেন, জ্বালানি তেলসহ দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির প্রতিবাদে জেলার বিভিন্ন উপজেলায় বিএনপির কর্মসূচিতে আওয়ামী লীগ ও তাদের সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীরা নানাভাবে বাধা দেন। বিভিন্ন স্থানে দলের নেতা-কর্মীদের মারধর করা হয়। গতকাল দলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর কর্মসূচিতে যাওয়ার সময় বিএনপির নেতা-কর্মীদের লাঠিপেটা ও তাদের লক্ষ্য করে কাঁদানে গ্যাসের শেল নিক্ষেপ করে পুলিশ। ছাত্রলীগ ও যুবলীগ নেতাকর্মীরা বিএনপির নেতা-কর্মীদের মারধর করেন। অথচ উল্টো বিএনপির নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধেই মিথ্যা মামলা করা হয়েছে।
মানিকগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আব্দুর রউফ সরকার জানান, আসামিদের মধ্যে প্রথম তিনজনকে ঘটনাস্থল থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং অন্যদের গ্রেফতারের জন্য অভিযান অব্যাহত রয়েছে।











