র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র্যাব) মহাপরিচালক অতিরিক্ত আইজিপি এম খুরশীদ হোসেন বলেছেন, প্রত্যেকটি সেক্টরে মাদকের প্রভাব পড়ছে। ডোপটেস্ট করার মাধ্যমে আমরা জানতে পারছি প্রত্যেকটি ডিপার্টমেন্টে থেকে শুরু করে শিক্ষক পর্যন্ত মাদকের সঙ্গে জড়িত। মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স ঘোষণা করেছেন প্রধানমন্ত্রী। সেই জিরো টোলারেন্সকে সামনে রেখেই র্যাব মাদকের বিরুদ্ধে কঠোর ভূমিকা পালন করে আসছে।
বুধবার (২৬ অক্টোবর) সিদ্ধিরগঞ্জে অবস্থিত র্যাব-১১’র সদর দপ্তরে আদালতের নির্দেশে প্রায় ৩৭ কোটি টাকার বিদেশি মদ ধ্বংস করা হয়। সেখানে উপস্থিত হয়ে র্যাবের ডিজি এসব বলেন।
তিনি বলেন, যেখানে মাদক থাকে সেখানে অবৈধ অস্ত্রসহ নারী পাচারের মতো নানা অপকর্ম হয়ে থাকে। কোন মাদক ব্যবসায়ীকে বিন্দুমাত্র ছাড় দেওয়া হবে না।
তিনি আরও বলেন, সবাইকে মাদকের ভয়াবহ ছোবল থেকে রক্ষা করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযান পরিচালনার পাশাপাশি সমাজের সকলকে মাদকের বিরুদ্ধে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে। পরিবার, শিক্ষক, জনপ্রতিনিধিসহ সমাজের সকল স্টেক হোল্ডারদের নিয়ে মাদকের বিরুদ্ধে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলার মাধ্যমে দেশ হতে মাদক নির্মূল সম্ভব। তাই মাদক নির্মূলে সমাজের সকল স্টেক হোল্ডারগণের সচেতনতা বৃদ্ধিসহ আন্তরিক সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।
এর আগে, গত ২৩ জুলাই র্যাবের অভিযানে নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁও এলাকার ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে অবৈধভাবে আমদানিকৃত দু’টি কন্টেইনার টেইলার হতে তল্লাশি চালিয়ে বিভিন্ন ব্র্যান্ডের ৩৬ হাজার ৮১৬ বোতল বিদেশি মদ উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত মাদকের মূল্য প্রায় ৩৭ কোটি টাকা। এই অবৈধ চালান আমদানি কারবারের সাথে জড়িতদের ঢাকার ওয়ারীস্থ বাসায় অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ নগদ দেশি-বিদেশি মুদ্রাসহ আটক করা হয়।











