ভারতের উত্তর প্রদেশের বিখ্যাত দ্বীনি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান দারুল উলুম দেওবন্দসহ ৩০৭ টি মাদরাসাকে যোগী সরকার কর্তৃক বেআইনী ঘোষণার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমীর শায়খুল হাদীস ইসমাঈল নূরপুরী ও ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মাওলানা জালালুদ্দীন আহমদ।
আজ বুধবার (২৬ অক্টোবর) সন্ধ্যায় এক বিবৃতিতে নেতৃদ্বয় এসব কথা বলেন।
নেতৃদ্বয় বলেন, ভারতে হিন্দুত্ববাদী বিজেপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকে সে দেশের মুসলমানদের উপর নির্বিচারে জুলুম চলছে। অনেক মসজিদ -মাদ্রাসা ও মুসলমানদের বাড়ীঘর গুড়িয়ে দেয়া হয়েছে। এখন সরকারি বিধি লংঘনের অপবাদ দিয়ে দারুল উলুম দেওবন্দসহ ৩০৭ টি মাদরাসা বন্ধের চক্রান্ত করা হচ্ছে। এটা ইসলাম ও মুসলিম উম্মাহর বিরুদ্ধে গভীর ষড়যন্ত্রের নীল নকশা। ৩০৭ টি মাদরাসাকে বেআইনি ঘোষণা প্রতাহার না করা হলে বিশ্ব মুসলিম বিজেপি সরকারের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াবে। এবং এর খেসারত বিজেপিকে বহন করতে হবে।
নেতৃদ্বয় আরও বলেন, ইংরেজ শাসকদের পরিচালিত শিক্ষা কারিকুলামের বিপরীতে ইসলামী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান তথা দারুল উলুম দেওবন্দ প্রতিষ্ঠা করেছিলেন ইংরেজ বিরোধী আন্দোলনের অগ্রনায়ক আল্লামা কাসেম নানুতুবী রহ,। দারুল উলূম দেওবন্দের অনুসরণে পৃথিবীর অনেক দেশে প্রতিষ্ঠিত অসংখ্য কওমি মাদরাসা অত্যন্ত সুনামের সহিত পরিচালিত হয়ে আসছে। কওমী মাদরাসা গুলোতে পবিত্র কোরআন হাদিসের ছহিহ এলেম শিক্ষা দানের পাশাপাশি উত্তম চরিত্র শিক্ষা দেয়া হয়। তারপরও ইসলামী শিক্ষার বিরুদ্ধে তাদের এমন ঘৃণ্য অপতৎপরতা কেন? বিশ্ব মুসলিম ভারত সরকারের কাছে জানতে চায়। নেতৃদ্বয় ভারতকে ইসলাম ও মুসলিম উম্মাহর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র বন্ধের আহবান জানান।










