গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের (জিএমপি) কমিশনার মোল্যা নজরুল ইসলাম বলেছেন, আজ জুমার দিন। ইজতেমা ময়দানে প্রচুর মানুষ আসছে; স্রোতের মতো। আইনশৃঙ্খলাসহ সবকিছু এখন পর্যন্ত নিয়ন্ত্রণে আছে। ইতোমধ্যে প্রায় ১০ লক্ষাধিক মানুষ ইজতেমা ময়দানে সমবেত হয়েছেন। আমরা প্রত্যাশা করছি, এরিয়াটা নিরাপত্তার চাদরে যেহেতু ঢেকে দিয়েছি, সুতরাং কোনোরকম কোনও অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটবে না।
শুক্রবার (১৩ জানুয়ারি) বেলা সাড়ে ১১টায় গাজীপুরের টঙ্গীতে তুরাগ নদীর তীরে ইজতেমা ময়দানের অলিম্পিয়া স্কুল মাঠ সংলগ্ন কেন্দ্রীয় কন্ট্রোল রুমে সাংবাদিকদের কাছে তিনি এ কথা বলেন।
জিএমপি কমিশনার বলেন, ভবিষ্যতেও কোনও ধরনের নাশকতা, ছিনতাই ও রাহাজানির ঘটনা ঘটবে না বলে আমরা প্রত্যাশা করছি। ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা যাতে আল্লাহর ধ্যানে মগ্ন হতে পারেন, জুমার দিনে সবাই মিলে যেন শান্তিপূর্ণভাবে একসঙ্গে নামাজ আদায় করতে পারি, সেদিকে লক্ষ্য রেখে পুলিশ সতর্ক অবস্থায় রয়েছে। এ পর্যন্ত প্রায় ২ হাজারের মতো বিদেশি অতিথি ময়দানে এসেছেন। তিন শতাধিক সিসিটিভি ক্যামেরা দিয়ে ইজতেমা মাঠ ঢেকে দেওয়া হয়েছে। আইনশৃঙ্খলার বিভিন্ন সংস্থা মিলে একযোগে কাজ করছি।
টঙ্গীতে তুরাগ নদীর তীরে বিশ্ব ইজতেমার প্রথম পর্ব শুরু হয়েছে। আজ ফজর নামাজের পর পাকিস্তানের মাওলানা জিয়াউল হকের আম বয়ানের মধ্য দিয়ে ইজতেমা শুরু হয়। উর্দুতে করা এই বয়ান বাংলাসহ কয়েকটি ভাষায় অনুবাদ করে শোনানো হয়েছে।
বিশ্ব ইজতেমা শুরুর আগের দিন বৃহস্পতিবার (১২ জানুয়ারি) থেকেই মুসল্লির আগমনে কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে গেছে ময়দান। মুসল্লিরা ময়দানে স্থান না পেয়ে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের ফুটপাত ও মাঠের আশেপাশের খোলা জায়গায় অবস্থান নিয়েছেন।











