প্রবাসী আয়ে ভারত ও পাকিস্তানের পরই বাংলাদেশের অবস্থান। অর্থাৎ তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে বাংদেশ। ২০২২ সালে বাংলাদেশের প্রবাসীরা ২১ বিলিয়ন ডলার পাঠিয়েছেন। প্রবাসীদের এই আয় বিশ্বের মোট রেমিট্যান্সের ২ দশমিক ৬৪ শতাংশ। বাংলাদেশের প্রবাসী আয় দেশের মোট জিডিপিতে অবদান রাখছে ৪ দশমিক ৬ শতাংশ।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য বলছে, ২০২১ সালে দুই হাজার ২০৭ কোটি মার্কিন ডলারের সমপরিমাণ অর্থ দেশে পাঠিয়েছিলেন প্রবাসীরা।
করোনার প্রভাব ও বিশ্ব অর্থনৈতিক মন্দার মধ্যেও রেকর্ড পরিমাণ প্রবাসী আয় বা রেমিট্যান্স অর্জন করেছে প্রতিবেশী দেশ ভারত। ২০২২ সালে দেশটির প্রবাসী আয় ১০০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার স্পর্শ করেছে, যা এ যাবৎকালের সর্বোচ্চ রেকর্ড। এর আগে বিশ্বের অন্য কোনো দেশ এই পরিমাণ রেমিট্যান্স আয় করতে পারেনি।
দক্ষিণ এশিয়ায় প্রবাসী আয়ে ভারতের পরই পাকিস্তানের অবস্থান। ২০২২ সালে পাকিস্তান রেমিট্যান্স পেয়েছে ২৯ বিলিয়ন ডলার। এই অংক বিশ্বের মোট রেমিট্যান্সের ৩ দশমিক ৬৫ শতাংশ। এছাড়া দেশটির জিডিপিতে প্রবাসী আয়ের অবদান ৭ দশমিক ৭ শতাংশ।
পঞ্চম অবস্থানে আছে শ্রীলঙ্কা। ২০২২ সালে তাদের আয় ৩ দশমিক ৬ বিলিয়ন ডলার, যা বিশ্বের মোট রেমিট্যান্সের দশমিক ৪৫ শতাংশ এবং তাদের মোট জিডিপির ৪ দশমিক ৯ শতাংশ। একই সময়ে আফগানিস্তানের প্রবাসী আয় দশমিক ৪ বিলিয়ন ডলার, যা তাদের মোট জিডিপির ২ শতাংশ এবং ভুটানের প্রবাসী আয় দশমিক ১ বিলিয়ন ডলার, যা দেশটির মোট জিডিপির ২ দশমিক ১ শতাংশ।











