প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, গণতান্ত্রিক ধারা অব্যাহত থাকায় দেশের সার্বিক উন্নয়ন সম্ভব হয়েছে। দেশের একজন মানুষও ভূমিহীন, গৃহহীন থাকবে না। কোনো মানুষ ক্ষুধার্ত থাকবে না। প্রতিটি মানুষের শিক্ষা, খাদ্য নিরাপত্তা, চিকিৎসা, কর্মসংস্থানের জন্য আমরা ব্যাপক কর্মসূচি বাস্তবায়ন করে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছি।
মঙ্গলবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) কিশোরগঞ্জের মিঠামইনে নবনির্মিত বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল হামিদ সেনানিবাস উদ্বোধন অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, করোনা মহামারির পর শুরু হয় রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ। এতে সারা বিশ্বে অর্থনৈতিক মন্দা দেখা দিয়েছে। প্রতিটি জিনিসের দাম ধরা-ছোঁয়ার বাইরে। যেহেতু খাদ্যপণ্যের মূল্য বেড়েছে, এক ইঞ্চি জমিও আমরা অনাবাদি রাখবো না। অনাবাদি জমি চাষের আওতায় আনবো, খাদ্য উৎপাদন করবো। দরকার হলে অন্য দেশকে সাহায্য করবো।
তিনি বলেন, স্বাধীন বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষার জন্য সশস্ত্র বাহিনী গড়ে তোলাই ছিল শেখ মুজিবুর রহমানের লক্ষ্য। ১৯৭৪ সালে তিনি প্রতিরক্ষা নীতিমালা করে দিয়ে যান। আমরা তারই ভিত্তিতে ফোর্সেস গোল্ড ২০৩০ প্রণয়ন করে তা বাস্তবায়ন করে যাচ্ছি। আমরা সেনাবাহিনীর সাংগঠনিক কাঠামো পুনর্বিন্যাস করেছি। আমরা সেনাবাহিনীর আধুনিকায়নে সর্বত্র কাজ করে যাচ্ছি।
তিনি আরও বলেন, হাওর অঞ্চলের মানুষকে প্রতিনিয়ত জীবনযুদ্ধে লড়াই করতে হয়। আমাদের রাষ্ট্রপতি এই অঞ্চল থেকে বার বার নির্বাচিত হয়েছেন। এই দুর্গম অঞ্চলের মানুষের পাশে থাকা, তাদের সুখ-দুঃখের সাথী হওয়া, তাদের ভাগ্য পরিবর্তনে তিনি নিরলস পরিশ্রম করেছেন। তিনি যখন রাষ্ট্রপতি হন তখন তিনি ইচ্ছাপ্রকাশ করেছিলেন এই অঞ্চলে একটি সেনানিবাস হোক। তারই ইচ্ছায় এই সেনানিবাস আমরা গঠন করেছি এবং তার নামেই এই সেনানিবাস আমরা উৎসর্গ করেছি। তার নামে এ সেনানিবাস করতে পেরে আমরা খুব আনন্দিত।











