জাতীয় সংসদে দাঁড়িয়ে রাষ্ট্রধর্ম ইসলামকে জঞ্জাল বলে মন্তব্য করায় সংসদ সদস্য রাশেদ খান মেননকে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন প্রধান আমীরে শরীয়ত আল্লামা আতাউল্লাহ হাফেজ্জী।
তিনি বলেন, ৯২ ভাগ মুসলমান অধ্যুষিত বাংলাদেশের সংবিধানের মূলনীতিতে রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম, বিসমিল্লাহির রহমানির রহিম ও মদিনার সনদের কথা ছিল, আছে এবং থাকবে। যারা ইসলামকে সহ্য করতে পারেনা তাদের এদেশে থাকার কোন অধিকার নেই। সংবিধান থেকে রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম ও বিসমিল্লাহকে মুছে ফেলার ষড়যন্ত্র করে ইসলামের চির শত্রু ইনু-মেনন গং দেশে অশান্তি সৃষ্টি করতে চায়। দেশের তাওহিদী জনতা কখনো তা বরদাস্ত করবেনা।
আজ রবিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানী ঢাকার কামরাঙ্গীরচরে জামিয়া নুরিয়ার ইফতার মাহফিলে সভাপতির ভাষণে তিনি এসব কথা বলেন।
আল্লামা আতাউল্লাহ হাফেজ্জী বলেন, সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলমানদের বাংলাদেশের সংবিধানে রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম বাক্যটি মুসলিম জাতির কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও সম্মানের। এ বাক্যগুলো কারো কোনো ক্ষতি করে নি। আসলে রমজান মাসে মুসল্লী ও রোজাদারের সংখ্যা বেশি দেখে মেনন গংদের মাথা নষ্ট হয়ে গেছে। এদেশে ইসলাম থাকুক, দেশের জনগণ ইসলাম মেনে চলুক, এটা তারা সহ্য করতে পারেনা।
তিনি বলেন, এসি রুমে বসে অনেক বড় বড় কথা বলা যায়, ইসলাম নিয়ে বিষোদগার করা যায় কিন্তু জনতার কাতারে এসে ইসলামের বিরুদ্ধে কথা বললে ইনু-মেননদের পিঠের চামড়া থাকবে না। ইসলামের বিরুদ্ধে যে কোন ষড়যন্ত্রের মোকাবেলা করতে প্রস্তুত থাকার জন্য দেশ ও ইসলাম প্রিয় তাওহীদী জনতার প্রতি তিনি আহবান জানান।
এ সময় আরো বক্তব্য রাখেন মাওলানা সাইদুর রহমান, মাওলানা হাবিবুল্লাহ মিয়াজী, মুফতী মুজিবুর রহমান, মাওলানা সানাউল্লাহ হাফেজ্জী, মাওলানা মুজিবুর রহমান হামিদী, মাওলানা সাজেদুর রহমান ফয়েজী, মুফতী সুলতান মহিউদ্দিন, মুফতী ইলিয়াস মাদারীপুরী, আ ফ ম আকরাম হোসাইন ও মুফতী আবুল হাসান প্রমুখ।










