২০২০ সালে উচ্চ প্রযুক্তির সাবমেরিন তৈরির জন্য ইতালির সঙ্গে একটি চুক্তি স্বাক্ষর করে কাতার। ২০২২ সালের আগস্টে এসব সাবমেরিন তৈরির বিষয়ে ইসরাইলের পক্ষে গুপ্তচরবৃত্তি করার অভিযোগে ভারতীয় আট জন প্রাক্তন নৌ কর্মকর্তাকে গ্রেফতার করা হয়। গত ২৯ মার্চ এসব অফিসারদের বিরুদ্ধে আইনি প্রক্রিয়া শুরু হয়। পরবর্তী শুনানি আগামী মে মাসে নির্ধারণ করা হয়েছে।
অবসর নেওয়ার পর এই ৮ জন নৌ-কর্মকর্তা কাতারের একটি বেসরকারি কোম্পানি ‘দাহরা গ্লোবাল টেকনোলজি অ্যান্ড কনসালটেন্সি সার্ভিসে’ কর্মরত ছিলেন। সংস্থাটি নিজেকে কাতার প্রতিরক্ষা, নিরাপত্তা এবং অন্যান্য সরকারি সংস্থার স্থানীয় অংশীদার হিসাবে বর্ণনা করে।
কাতারের গোয়েন্দা সংস্থা জানিয়েছে, এসব নৌ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে সাবমেরিন প্রোগ্রামের সংবিধানশীল তথ্য ফাঁস করার স্পষ্ট প্রমাণ রয়েছে। তবে এসব প্রমাণ ভারতীয় কর্মকর্তাদের কাছে পেশ করা হয়নি।
যদিও ভারতীয় কর্মকর্তারা কাতারকে এটি বোঝানোর চেষ্টা করছেন যে তাদের অফিসাররা দোহার বিরুদ্ধে কোন ধরনের শত্রুতামূলক অভিযানে জড়িত নয়।
উল্লেখ্য, কাতারের উচ্চ প্রযুক্তিতে তৈরি সাবমেরিন কর্মসূচি নিয়ে ভারত ও ইসরাইল যথেষ্ট উদ্বিগ্ন রয়েছে। কাতারের সঙ্গে পাকিস্তানের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক থাকায় ভারত এই আশঙ্কা করছে যে ইসলামাবাদ নয়া দিল্লির
বিরুদ্ধে ব্যবহারের জন্য এ প্রযুক্তি তৈরি করতে পারে।
এদিকে কাতারের সাবমেরিন আরো বেশি উদ্বিগ্ন করে রেখেছে ইহুদিবাদী সন্ত্রাসীদের অবৈধ রাষ্ট্র ইসরাইলকে। দখলদার এ রাষ্ট্রটি তার আরব প্রতিদ্বন্দ্বীদের হাতে অত্যাধুনিক প্রযুক্তির সাবমেরিন দেখতে কখনোই স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করবে না। এছাড়াও তেল আবিব দীর্ঘদিন ধরে মধ্যপ্রাচ্য জুড়ে অত্যাধুনিক প্রযুক্তির বিস্তার রোধ করার চেষ্টা করে আসছে।
সূত্র: দি প্রিন্ট










