spot_img
spot_img

ভিসানীতির কারণে বস্ত্র ও পাটজাত পণ্য আমদানি-রপ্তানিতে কোনো সমস্যা হবে না: পাটমন্ত্রী

বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী গোলাম দস্তগীর গাজী বলেছেন, ভিসানীতির কারণে আমেরিকার কিংবা ইউরোপের দেশে বস্ত্র ও পাটজাত পণ্য পাঠাতে কোনো সমস্যা হবে না। কেননা এসব পণ্য আমদানি ও রপ্তানি করা হয় বেসরকারি পর্যায়ে এবং এটা ব্যবসায়িক ব্যাপার। এ ক্ষেত্রে রাষ্ট্রের কোনো ভূমিকা থাকে না।

রোববার (৪ জুন) ফরিদপুরের অম্বিকা মেমোরিয়াল হলে পাঁচ দিনব্যাপী বহুমুখী পাট ও পাটজাত পণ্য মেলার উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন তিনি।

গোলাম দস্তগীর গাজী বলেন, ডলার সংকটের জন্য আমরা কয়লা নির্ভর বিদ্যুৎকেন্দ্রের বকেয়া টাকা পরিশোধ করতে পারছি না। আমাদের হাতে টাকা আছে। টাকা কোনো সমস্যা নয়, সমস্যা হচ্ছে ডলারের কারণে।

আগে থেকে এ ব্যাপারে কেন প্রস্তুতি নেওয়া হয়নি জানতে চাইলে তিনি বলেন, তখন তারা বাকিতে কয়লা দিয়েছে, আমরা নিয়েছি। তবে যখন টাকা পরিশোধ করার সময় এসেছে তখন ডলারের সংকট সৃষ্টি হয়েছে।

কবে নাগাদ বিদ্যুৎ পরিস্থিতির উন্নতি হবে জানতে চাইলে কোনো সুনির্দিষ্ট সময় উল্লেখ না করে মন্ত্রী বলেন, আচিরেই সমস্যার সমাধান হবে।

গোলাম দস্তগীর গাজী বলেন, আজ দেশে বিভিন্ন বিদেশি ফলে বাজার ভরে গেছে। অথচ আমাদের দেশে আম, কাঁঠাল, লিচু, আনারস, কলার মতো অনেক সুস্বাদু দেশীয় ফল আছে। সেগুলো বাদ দিয়ে ডলার খরচ করে আমরা বিদেশ থেকে ফল আনছি, এটি ঠিক হচ্ছে না।

তিনি বলেন, এক সময় আমাদের সবচেয়ে রপ্তানি পণ্য ছিল পাট। আজ প্লাস্টিকের কারণে আমরা আমাদের ঐতিহ্য হারিয়ে ফেলেছি। বাংলাদেশে বিশেষত ফরিদপুরে বিশ্বের সবচেয়ে উন্নত মানের পাট উৎপাদন হয়। কিন্তু বিশ্ববাজরে আমার ভারতের চেয়ে অনেক পিছিয়ে আছি। বিভিন্ন দেশের মেলায় গিয়ে দেখেছি যেখানে ভারতের ১০০টি পাটজাত পণ্যের স্টল রয়েছে সেখানে আমাদের ১০টি স্টলও নেই। এই ব্যবধান ১৫ কিংবা ১০ এর মধ্যে হওয়া উচিত ছিল।

তিনি আরও বলেন, পাট পণ্য নিয়ে বিশ্ববাজারে আমরা অনেকটা এগিয়ে গিয়েছিলাম। কিন্তু ইউক্রেন-রাশিয়ার যুদ্ধ আমাদের পিছিয়ে দিয়েছে।

spot_img
spot_img
spot_img

সর্বশেষ