কারাবন্দী আলেমদের মুক্তির দাবিতে জাতীয় প্রেসক্লাব চত্বরে বুখারী শরীফের প্রতীকী দরসের আয়োজন করেছিলো মাদরাসার শিক্ষার্থীরা।
আজ শুক্রবার (১৬ জুন) জাতীয় প্রেসক্লাব চত্বরে কিতাব হাতে অবস্থান নেন শিক্ষার্থীরা।
শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে মুহাম্মাদ দিদারুল ইসলাম বলেন, ব্রিটিশ বেনিয়ারা ভারতবর্ষকে পঙ্গু করতে যে হাতিয়ার ব্যবহার করেছিল তা হলো- জনগণকে শিক্ষাধিকার থেকে বঞ্চিত করা। ৭১ এর মুক্তিযুদ্ধে এর ঘোর কিছুটা কেটে গেলেও স্বাধীনতার ৫২ বছর পর আজও নিশ্চিত হয়নি সেই শিক্ষাধিকার। তাই বর্তমান ও আগামী প্রজন্মকে অন্ধত্ব ও মূর্খতা থেকে বাঁচাতে এবং পৃথিবীর মানচিত্রে সভ্য জাতি হিসেবে নিজেদের পরিচয় তুলে ধরতে অবশ্যই আমাদের এই শিক্ষাধিকার নিশ্চিত করতে হবে। আমাদের শিক্ষকদেরকে জেলমুক্ত করে শিক্ষকের আসনে সমাসীন করতে হবে।
তিনি আরও বলেন, ষড়যন্ত্রকারীরা ষড়যন্ত্র করুক, আল্লাহ্ সর্বোত্তম পরিকল্পনাকারী। অচিরেই ষড়যন্ত্রের সকল জল ছিন্ন করে মাওলানা মামুনুল হক আমাদের মাঝে ফিরে আসবেন ইনশাআল্লাহ্!
তিনি প্রশাসনের কর্মকর্তাদের লক্ষ্য করে, আল্লামা মামুনুল হক সহ উলামায়ে কেরামের সাথে যে জঘন্যতম আচরণ তারা করছে, তা কিছুতেই সহনীয় নয়, উল্লেখ করে এ ধরনের বেয়াদবিমূলক আচরণ পরিহার করার এবং আগামী ঈদের পূর্বেই মাওলানা মুহাম্মাদ মামুনুল হকসহ সকল উলামায়ে কেরামের মুক্তির দাবী জানান। সর্বশেষ দোয়ার মাধ্যমে এই প্রতিবাদ সভার সমাপ্তি ঘোষণা করেন।











