আগামী ২৯ জুলাই সকাল ১০ টায় রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে বিভাগীয় সমাবেশ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় করেছে খেলাফত মজলিস।
আজ বুধবার (২৬ জুলাই) দুপুর ১টায় কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সাথে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। মতবিনিময় সভায় সাংবাদিকদের সামনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন ঢাকা বিভাগীয় সমাবেশ বাস্তবায়ন কমিটির আহ্বায়ক ও সংগঠনের যুগ্ম মহাসচিব এডভোকেট জাহাঙ্গীর হোসাইন।
এসময় উপস্থিত ছিলেন নায়েবে আমীর মাওলানা আহমদ আলী কাসেমী, যুগ্ম মহাসচিব ও সমাবেশ বাস্তবায়ন কমিটির সদস্য সচিব অধ্যাপক আবদুল জলিল, কেন্দ্রীয় প্রচার ও তথ্য সম্পাদক প্রকৌশলী আবদুল হাফিজ খসরু, কেন্দ্রীয় যুব বিষয়ক সম্পাদক তাওহীদুল ইসলাম তুহিন, বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্র মজলিস সেক্রেটারি জেনারেল রায়হান আলী, কেন্দ্রীয় নির্বাহী সদস্য হাজী নুর হোসেন, ঢাকা মহানগরী দক্ষিণ সাধারণ সম্পাদক আবুল হোসেন, কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য এডভোকেট রফিকুল ইসলাম, মহানগরী দক্ষিণ সহ-সাধারণ সম্পাদক কাজী আরিফুর রহমান, মহানগরী দক্ষিণ প্রচার সম্পাদক মনসুরুল আলম মনসুর, বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্র মজলিস প্রশিক্ষণ ও ক্যাম্পাস সম্পাদক কেএম ইমরান হোসাইন প্রমুখ।
লিখিত বক্তব্যে বেশকিছু দাবি উত্থাপন করা হয় :
২। নির্বাচনে সবার জন্যে সমান সুযোগ ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা: নির্বাচনে সবার জন্যে সমান সুযোগ ও নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং পেশীশক্তি ও অর্থশক্তি মুক্ত নির্বাচনী পরিবেশ সৃষ্টি করতে হবে।
৩। দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে ইভিএম ব্যবহার বন্ধ রাখা: দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ইভিএম ব্যবহার বন্ধ রাখতে হবে। নির্বাচনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট পক্ষসমুহকে আস্থায় না নিয়ে নির্বাচন কমিশন বা সরকারের একক সিদ্ধান্তে ইভিএম ব্যবহার করা যাবে না।
৪। গ্রেফতারকৃত আলেম উলামা ও রাজনৈতিক নেতা-কর্মীদের মুক্তি ও মামলা প্রত্যাহার করা: গ্রেফতারকৃত আলেম উলামা ও বিরোধী রাজনৈতিক নেতা-কর্মীদের অবিলম্বে মুক্তি দিতে হবে এবং তাদের উপর দায়েরকৃত সমস্ত মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার করতে হবে।
৫। রাজনৈতিক সভা-সমাবেশের অবাধ সুযোগ নিশ্চিতকরণ: বিরোধী রাজনৈতিক দলসমূহকে সভা-সমাবেশ করার অবাধ সুযোগ দিতে হবে। বিরোধী দলসমুহের কর্মসূচিতে বাধাদান, হয়রানী, গ্রেফতার, মামলা, হামলা বন্ধ করতে হবে।
৬। পণ্যমূল্য কমিয়ে জনদুর্ভোগ লাঘব ও দুর্নীতি নির্মূল করা: জ্বালানী তেল, গ্যাস, বিদ্যুৎ এবং খাদ্যদ্রব্য-সহ নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য কমিয়ে ক্রয় ক্ষমতার মধ্যে এনে জনগণের দুর্ভোগ লাঘব করতে হবে এবং সাথে সাথে অর্থ পাচার রোধ ও বিদেশে পাচারকৃত অর্থ ফেরৎ আনা-সহ সর্বক্ষেত্রে দুর্নীতি নির্মুল করার কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে।
৭। বেকার সমস্যা সমাধান ও যোগ্যতার ভিত্তিতে সরকারি চাকুরীতে নিয়োগ দান: দেশের বেকারত্ব দূর করার জন্য কর্মসংস্থান সৃষ্টি-সহ সর্বাত্মক ব্যবস্থা অবলম্বনের পদক্ষেপ নিতে হবে এবং সকল প্রকার বৈষম্য দূর করে সব ধরনের সরকারি চাকুরিতে যোগ্যতার ভিত্তিতে নিয়োগ দানের ব্যবস্থা করতে হবে।
৮। ধর্মীয় শিক্ষা সংকোচন নীতি বন্ধ ও বিতর্কিত পাঠ্যক্রম বাতিল করা:সাধারণ শিক্ষায় ধর্মীয় শিক্ষা সংকোচন নীতি বন্ধ করতে হবে এবং সকল বোর্ড পরীক্ষায় ধর্মীয় বিষয়কে আবশ্যকীয় বিষয় হিসাবে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। শিক্ষার সর্বস্তরে ধর্মশিক্ষাকে বাধ্যতামূলক করতে হবে। বর্তমান শিক্ষানীতির আলোকে প্রণীত স্কুল-মাদ্রাসার পাঠ্যপুস্তক থেকে ইসলামী চিন্তা-বিশ্বাসের সাথে সাংঘর্ষিক যাবতীয় বিষয় বাদ দিতে হবে। সমতা সৃষ্টির নামে সাধারণ পাঠ্য বইয়ের মাধ্যমে মাদ্রাসায় ইসলামী শিক্ষার মান ও পরিবেশ কোন ক্রমেই ক্ষুন্ন হতে দেয়া যাবে না।










